সম্পাদকীয়

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সড়ক ও সেতু বিভাগের অধীনে সারা দেশে অসংখ্য বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিছু প্রকল্প উপকারী হলেও বেশির ভাগ ছিল লুটপাটের উদ্দেশ্যে নেয়া। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ, ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে অবাধে অর্থ লুটপাট ও পাচার করা হয়েছে। বতর্মান সরকার সেই দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে এসে সত্যিকার অর্থে জনগণের জন্য কাজ করবে এটিই প্রত্যাশিত।

সম্পাদকীয়

প্রয়োজন স্থায়ী পানি কূটনীতি

আন্তর্জাতিক নদী ব্যবহারে ভারতের অনুসৃত নীতি আন্তর্জাতিক নদী আইনের লঙ্ঘন। নিয়ম অনুযায়ী কোনো উজানের দেশ একতরফাভাবে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে না। হঠাৎ পানি ছেড়ে ভাটির দেশের ক্ষতি করতে পারে না। নদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে ন্যায্য অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতাও আছে। অথচ ঠিক এসবই করছে ভারত।

সম্পাদকীয়

সরকারের জন্য সতর্কবার্তা

শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ আবারো ফ্যাসিবাদী আমলের মতো সাংঘর্ষিক হয়ে উঠলে তা কারো জন্যই শুভ হবে না। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে সরকারি দলের। কারণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তাদেরই। যে মুহূর্তে পতিত স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা নতুন করে মাথা তোলার চেষ্টা করছে, সে সময় সতর্ক হতে হবে সরকারকেই। খতিয়ে দেখতে হবে, কেন পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটছে। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দলের দায় কমই।

সম্পাদকীয়

লালফিতা কেটে দিতে জুলাই এসেছিল

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং যারা পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, তাদের স্বজনদের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের যে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব আছে, তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপই এই ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন যদি অর্থ বরাদ্দের অভাবে অকার্যকর হয়ে যায়, সেটি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গনে নেতিবাচক বার্তা তৈরি করবে।

সম্পাদকীয়

বৈষম্যহীন দেশ গড়ার প্রেরণা

ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়, বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা। একই সাথে প্রতিশোধের পরিবর্তে ন্যায়বিচারের পথ অনুসরণ করা। মতভেদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ; কিন্তু সহিংসতা, ঘৃণা ও বিভাজন কখনো একটি দেশের স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ গড়তে পারে না। তাই ভিন্নমতকে সম্মান জানিয়ে সংলাপ, সহনশীলতা এবং প্রয়োজনে রাষ্ট্রযন্ত্রে আমূল সংস্কার করাই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ভিত্তি।

সম্পাদকীয়

টেকসই কৌশল নিতে হবে

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান হাতিয়ার রফতানি খাতের চিত্র স্বস্তিতে থাকার মতো নয়। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে পণ্য রফতানি পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ শতাংশ কমেছে। তৈরী পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়েছে। এটি পুরো অর্থনীতির জন্যই উদ্বেগের। যদিও জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সাময়িক পুনরুদ্ধার লক্ষ করা গেছে। ভারত ও সৌদি আরবের মতো অপ্রচলিত বাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিও দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সামগ্রিক বিশ্ববাজারের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ওঠার মতো গতি এখনো আসেনি।

সম্পাদকীয়