সম্পাদকীয়

আলোচ্য খাতে বাংলাদেশের অবস্থা নাজুক। সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪১ শতাংশ আসে জীবাশ্ম জ্বালানির বাইরে থেকে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ জলবিদ্যুৎ, ৯ শতাংশ পারমাণবিক এবং ৭ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে সেটি ৪ থেকে ৫ শতাংশের বেশি নয়।

সম্পাদকীয়

বন্যার আভাস : সতর্কতা ও প্রস্তুতি দরকার

বৃষ্টিপাত ও পানি বৃদ্ধির খবর সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে। আসন্ন বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। আশা করা যায়, দুর্যোগ মোকাবেলায় এবার সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন।

সম্পাদকীয়

দেশের স্বার্থ রক্ষা প্রধান বিবেচ্য

নতুন সরকারপ্রধানের প্রথম বিদেশ সফর নিয়ে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘সরকারপ্রধান কোন দেশ সফর করবেন তা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। আমরা কোথায় যাবো সেটি অন্য কেউ নির্ধারণ করবে না। কারণ আমরা বৈধ সরকার, জনগণের রায়ে নির্বাচিত। আমরা এখন শক্ত অবস্থান থেকে কথা বলতে পারি, দরকষাকষি করতে পারি।’ সরকারের এ অবস্থান স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের স্পষ্ট বার্তা। এখন কার্যক্ষেত্রে প্রমাণ দেয়ার পালা।

সম্পাদকীয়

বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মপরিবেশের অভাব

মানসম্পন্ন গবেষণা বাড়াতে যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্যোগী হতে হবে; তেমনি প্রয়োজনীয় অর্থ সহযোগিতা করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকার-বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠতে পারে একটি কাক্সিক্ষত বিশ্বমানের গবেষণাভিত্তিক উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সম্পাদকীয়

চাই সতর্ক ও বিচক্ষণ পদক্ষেপ

সম্প্রতি দিল্লিতে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজারের বক্তব্য এই প্রেক্ষাপটে বিচার্য। গত বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে দিল্লিতে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস সক্রিয়। দুই দেশে হামাসের কার্যক্রম ইসরাইল পর্যবেক্ষণ করছে। হামাসকে একটি উগ্র সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেননি; কিন্তু এ নিয়ে ভারতের গণমাধ্যম জোর প্রচারণা চালাচ্ছে। তাতে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশেরও কিছু গণমাধ্যম।

সম্পাদকীয়

সততা ও দূরদর্শিতাই হোক মূলশক্তি

ইউনিয়ন পর্যায়ে সফলভাবে কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যেতে পারলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যচিত্রে বিশাল ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। গ্রামের মানুষকে মাইলের পর মাইল পাড়ি দিয়ে জেলা শহর বা রাজধানীতে যেতে হবে না। এতে প্রান্তিক মানুষের খরচ কমবে। কমে আসবে দালালদের দৌরাত্ম্য। সেই সাথে বড় বড় শহরের ওপরও চাপ কমবে। এতে সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি ফিরে আসবে।

সম্পাদকীয়