অভিমত
একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে হলে কিশোরদের হাতে অস্ত্র নয়, বই; ভয় নয়, আত্মবিশ্বাস; গ্যাং নয়, নেতৃত্বের ইতিবাচক সুযোগ তুলে দিতে হবে। কারণ আজকের কিশোরই আগামী দিনের নাগরিক। তাদের হারিয়ে ফেলা মানে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়া।
নিভৃতে জেগে উঠেছিল এক সম্ভাবনা
কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, এত সহায়তা দিয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী ডেকে আনার ঠেকা পড়েছে কেন? ঠেকা পড়েনি, এটা সত্য। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে আমরাই যে ঠেকে যাচ্ছি! বাইরের দেশের সাথে ঠিকমতো ব্যবসা-বাণিজ্যও করতে পারছি না। দেশের বাইরে থেকে কেউ পড়তে এলে সাথে নিয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই বৈদেশিক মুদ্রা।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী যে বার্তা দিয়েছেন, তা যদি ধারাবাহিকভাবে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হয়, তবে তা বাংলাদেশের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সাথে এই উদ্যোগকে এমনভাবে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে সেনাবাহিনীর সাংবিধানিক ভূমিকা, পেশাদারিত্ব এবং জনগণের আস্থা আরো সুদৃঢ় হয়।
বঙ্গোপসাগরের গ্যাস কি তবে দিল্লির হাতে তুলে দিয়েছিলেন হাসিনা?
শেখ হাসিনা সরকার নিজের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং দিল্লির একচেটিয়া রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখতে এই চরম জাতীয় স্বার্থবিরোধী অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করার সাহস পাননি। দেশের সার্বভৌম স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে এভাবে ‘ফ্রি লুট’ বা অবাধে চুরির সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল, যার চরম মাশুল আজ দেশের জনগণকে দিতে হচ্ছে।
সশস্ত্র বাহিনীর সম্মান রক্ষাই রাষ্ট্রের মর্যাদা
একজন সেনা কর্মকর্তা তার কর্মজীবনের প্রতিটি দিন কাটান শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও আত্মত্যাগের কঠোর পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। সীমান্তে, দুর্গম পাহাড়ে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিংবা আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে তিনি দেশের পতাকাকে মর্যাদার সঙ্গে বহন করেন। সেই মানুষটিকেই যদি রাজনৈতিক বিবেচনা, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা কিংবা প্রশাসনিক বৈষম্যের কারণে প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত হতে হয়, তবে সেই ক্ষত কেবল তার ব্যক্তিগত নয়; সেটি রাষ্ট্রেরও ক্ষত।
পুশইন : সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও কূটনৈতিক দৃঢ়তা
সীমান্ত একটি মানচিত্রের রেখা নয়, এটি একটি দেশের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিপুলসংখ্যক নির্যাতিত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। নতুন করে আর কোনো পুশইন সহ্যের ক্ষমতা নেই। তাই জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ঢিলেমির কোনো অবকাশ নেই। সরকার দূরদর্শিতা, সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সাথে সীমান্ত সঙ্কট মোকাবেলা করবে। দেশের প্রতি ইঞ্চি ভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা নেবে।