অভিমত
নবাব সিরাজউদদৌলা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন। পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস যতবার আলোচিত হয়, ২৩ জুন যতবার ফিরে আসে, ততবারই নতুনভাবে উপলব্ধি করা হয়, ঔপনিবেশিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের কথা।
কোরবানির পশুর চামড়ার যত্ন নেয়া কেন জরুরি?
কোরবানির চামড়া জাতীয় সম্পদ। সঠিক নিয়মে চামড়া সংরক্ষণ না করলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই এ বছর সরকার চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে লবণ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উদ্যোগ।
এনইআইআর: জাতীয় স্বার্থ রক্ষা জরুরি
দেশের মোবাইল শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোও আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে লিখিতভাবে জানিয়েছে যে, এনইআইআর অকার্যকর রাখার সুযোগে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের পকেটে চলে যাচ্ছে। অর্থাৎ রাষ্ট্র প্রতিদিন রাজস্ব হারাচ্ছে, প্রতি মাসে হারাচ্ছে কয়েকশো কোটি টাকা, আর বছরে সেই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে কয়েক হাজার কোটি টাকায়।
পদ্মা হলে তিস্তা নয় কেন—উত্তরাঞ্চলের মানুষের ক্ষোভ, বঞ্চনা ও প্রতীক্ষা
বিদেশী অর্থায়ন বা কূটনৈতিক জটিলতার অজুহাত নয়—নিজস্ব অর্থায়নেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে হবে। এখানে ভূ-রাজনীতির টানাপোড়েন থাকলে তা ওতরাতে হবে ‘বুদ্ধিদীপ্ত’ ভারসাম্যের কূটনীতি দিয়েই। কারণ উত্তরাঞ্চলের মানুষ আর শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না। তারা বাস্তব কাজ দেখতে চায়। নয়তো ইতিহাস একদিন প্রশ্ন করবে—পদ্মা হলো, তিস্তা হলো না কেন?
চামড়া সিন্ডিকেট চক্র ভেঙে দিতে সোচ্চার হতে হবে
চামড়া শিল্প রক্ষা হলে দেশের অর্থনীতি, রফতানি খাত, ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা এবং অসহায় মানুষের অধিকার রক্ষা হবে। তাই আসুন, চামড়া সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সকলেই সোচ্চার হই।
বাতাস বুঝে তরী বাও হে মাঝি
মাঝি নাও ছাইড়া দিছে, ও মাঝি পাল উড়াইয়া দিছে। তেরোতম জাতীয় সংসদের তরী নোঙর তুলে দিয়েছে কয়েকমাস আগে। ঘাট ছেড়ে রওনা হয়ে গেছে। এবার পাড়ি দিতে হবে ভরা গাঙ। সংসদে বিএনপির ঘটে আছে সুপার মেজরিটি– তিন ভাগের দুই ভাগেরও বেশি আসন। আছে আত্মবিশ্বাস। বাতাস বইছে বিএনপির অনুকূলে। পাল উড়ছে পতপত করে...