দৈনিক নয়া দিগন্ত বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম, যা প্রতিদিন পাঠকদের কাছে সর্বশেষ খবর, বিশ্লেষণ, ও ঘটনার পেছনের সত্য তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে। ২০০৪ সালে প্রিন্ট সংস্করণ হিসেবে এর যাত্রা শুরু। নয়া দিগন্তে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম ও লাইফস্টাইলসহ নানা বিষয়ের সংবাদ পরিবেশন করা হয়। তথ্যের নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও সাংবাদিকতার নীতিমালাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সত্যের সঙ্গে প্রতিদিন এই স্লোগানকে ধারন করে নয়া দিগন্ত একটি তথ্যবহুল, দায়িত্বশীল ও পাঠকবান্ধব সংবাদপত্র হিসেবে দেশের মানুষের পাশে থাকা এবং সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক খবর সবার আগে পৌঁছে দেয়।
বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত আছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে মামলার কাগজপত্র ৩০ দিনের মধ্যে চেয়েছিল। আমরা তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দুবাইয়ে মেইল করে পাঠিয়েছি।
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৮৭
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের প্রতি নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা আরো জোরদারে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রোনালদো কি তবে ‘স্বার্থপর’ ফুটবলার?
রোনালদোর সমর্থকদের দাবি, একজন স্ট্রাইকার হিসেবে গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টাই তার স্বাভাবিক দায়িত্ব এবং এ ধরনের সমালোচনা অযৌক্তিক।
নেইমার হোম অফিস করা প্রথম ফুটবলার : ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে নিজেদের দুটি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। গ্রুপ ‘সি’-এর প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে সেলেসাওরা। আর আজ হাইতির সাথে জিতেছে ৩-০ গোলে।
পরের রাউন্ডে যেতে ব্রাজিলের সামনে যে সমীকরণ
নকআউটের টিকিট পাওয়ার সমীকরণ অবশ্য এখন অনেকটাই সহজ সেলেসাওদের। শেষ ম্যাচে জিতলে বা ড্র করলেও নক আউট পর্বে পা রাখতে পারবে ব্রাজিল। এমনকি হারলেও সুযোগ আছে পরের রাউন্ডে যাওয়ার। যদিও সেখানেও আছে হিসাব-নিকাশ।
সুনীল অর্থনীতির বিকাশে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির
‘বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগ উপকূলীয় ও সামুদ্রিক এলাকায় জরিপ পরিচালনা, নটিক্যাল চার্ট প্রণয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।’
একই রাস্তা যাতে বারবার খনন করতে না হয়, সমন্বয় করছে ডিএনসিসি
খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে এনে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে ডিএনসিসি।
বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রতিবাদের ঢেউ তোলার অপেক্ষায় ইরান
ফিলিস্তিনের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন আর ইসরাইলবিরোধী চেতনার আগুন বুকে নিয়ে ইরানের এই লড়াকু দল বেলজিয়ামের বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিতে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিতে মুখিয়ে আছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে উসকানির আভাস পাওয়া যাচ্ছে : রিজভী
‘দেশের স্বার্থে, কল্যাণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে আমাদের কেউ শত্রু নেই, আবার কেউ প্রভুও নেই। সকলেই আমাদের বন্ধু।’
বাংলাদেশকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক চাপ
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ- প্রথমত, সন্ত্রাসবাদ দমনে অর্জিত সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরা। দ্বিতীয়ত, ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা। তৃতীয়ত, সীমান্ত, পানি বণ্টন ও অভিবাসন ইস্যুতে তথ্যভিত্তিক কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করা। চতুর্থত, জাতীয় ঐকমত্য ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। কারণ অভ্যন্তরীণ বিভাজন আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবেলার সক্ষমতাকে দুর্বল করে। পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও থিঙ্কট্যাঙ্ক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরার জন্য কার্যকর জনকূটনীতি পরিচালনা করা।
সামাজিক সুরক্ষায় প্রশংসা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বিতর্ক
সুশাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকারের প্রধান কাজ ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা। দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দেশে একটি সুশাসন উপহার দেয়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা এবং সরকারের ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নে কাজ শুরু করলেও বেশ কিছু পরিকল্পনায় তেমন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। সামাজিক খাতে নেয়া উদ্যোগের জন্য প্রশংসিত হলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে।
প্রণোদনা দিলে বাংলাদেশে ওষুধের সরঞ্জাম শিল্পও গড়ে উঠতে পারে
বাংলাদেশে বুয়েটসহ বেশ কয়েকটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে। প্রতি বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে গ্র্যাজুয়েটরা বের হয়ে আসছেন তারা নির্দিষ্ট বিষয়ে চাকরি না পেয়ে সাধারণ বিষয়ে চাকরি খুঁজে নিচ্ছেন। এই দক্ষ জনশক্তি ওষুধ শিল্প সরঞ্জাম তৈরির শিল্প কাজে লাগাতে পারবে। তা ছাড়া বিপুলসংখ্যক অদক্ষ জনবল তো রয়েছেই যারা কাজের খোঁজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাদেরও কাজে লাগানো যাবে।
চুক্তি অনুযায়ী, ইরান সবচেয়ে লাভবান হয়েছে। এত দিন দু’টি দেশের মধ্যে সমঝোতার কোনো আনুষ্ঠানিক কাঠামো ছিল না। এখন থেকে ইরান নির্দিষ্ট ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় আলোচনা চালাতে পারবে। ইরান আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের যে সুবিধা পাবে; তা তাদের দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বড় সুবিধা দেবে। দেশটি যদি নির্বিঘ্নে তেল ও অন্যান্য পণ্য রফতানি করতে পারে, তাহলে অর্থনৈতিকভাবে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে
রংপুরে ডিবির জালে খাদ্য অধিদফতরের প্রশ্নফাঁস সিন্ডিকেটের ৬ সদস্য
গ্রেফতাররা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য বিভাগসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্ন পত্র ফাঁস, প্রক্সি পরীক্ষা দেয়ার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।
শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননায় সিক্ত সৈয়দ আব্দুল হাদী
‘বাংলা গানের উচ্চতা এখন অনেকাংশে নির্ণীত হয় সৈয়দ আব্দুল হাদীর কণ্ঠস্বরকে ঘিরে। তার গান ও শিল্পসত্তা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য এক অনন্য মানদণ্ড।’
মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে নানান চিন্তা আসে কেন?
রাতের প্রথম দিকে গভীর ঘুম হয়, আর ভোরের দিকে ঘুমের মাঝেও আমরা সতর্ক অবস্থায় থাকি। ২টা থেকে ৩টা নাগাদ মূলত হাল্কা ঘুম হয় এবং ছোটখাটো কারণে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা থাকে।
ইসরাইলকে যুদ্ধের বিদেশী অর্থের বৃহত্তম যোগানদাতা জার্মান-মার্কিন কোম্পানি
জার্মান বীমা প্রতিষ্ঠান আলিয়াঞ্জ এবং তাদের সহযোগী মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান পিমকো ইসরাইলি সরকারি বন্ডে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে, যার ফলে তারা ইসরাইলের অন্যতম বৃহৎ বিদেশী বন্ডধারক হিসেবে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক চাপ
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ- প্রথমত, সন্ত্রাসবাদ দমনে অর্জিত সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরা। দ্বিতীয়ত, ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা। তৃতীয়ত, সীমান্ত, পানি বণ্টন ও অভিবাসন ইস্যুতে তথ্যভিত্তিক কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করা। চতুর্থত, জাতীয় ঐকমত্য ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। কারণ অভ্যন্তরীণ বিভাজন আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবেলার সক্ষমতাকে দুর্বল করে। পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও থিঙ্কট্যাঙ্ক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরার জন্য কার্যকর জনকূটনীতি পরিচালনা করা।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের কাছে বেসামরিকদের এক সমাবেশে এ হামলা চালানো হয়।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৬
ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাজুড়ে রোববার (১৪ জুন) ইসরাইলের হামলায় এক শিশুসহ ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন।
গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২৯৯৬
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৭২ হাজার ৯৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন এক লাখ ৭৩ হাজার ২৪৬ জন।‘

