মতামত
1
আশুরার সুমহান শিক্ষা ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান
সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে ইসলামকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের যথাসাধ্য প্রয়াসে আশুরা পালনের সার্থকতা নিহিত। যদিও আজ মুসলমানরা অনেকটা দিশেহারা। তাদের নিজেদের দুর্বলতায় পদে পদে লাঞ্ছিত-অপমানিত হচ্ছেন। এ দিন তারা শপথ নিতে পারেন ত্যাগের সর্বোচ্চ পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের। শপথ নিতে পারেন মুসলমানরা কুরআনকে আঁকড়ে ধরার। এর মাধ্যমে অবমাননা ও লাঞ্ছনাকর জীবন থেকে তাদের উত্তরণ ঘটতে পারে।
2
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা অপেক্ষার অবসান হোক
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডে প্রায় ৯ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতি রয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষক অবসরে যাওয়ার দুই থেকে পাঁচ বছর পরও প্রাপ্য বুঝে পাচ্ছেন না। গুরুতর অসুস্থতায় চিকিৎসা করাতে পারছেন না, ওষুধও কিনতে পারছেন না তারা। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের।
জনগণ যখন বিশ্বাস করে, তখন তারা একজন নেতা, একটি দল কিংবা একটি আন্দোলনকে অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। আবার যখন সেই বিশ্বাস ভেঙে যায়, তখন সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষমতার কাঠামোও মুহূর্তের মধ্যে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। সেই কারণেই ২৩ জুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অধীনতা ও স্বাধীনতা, উত্থান ও পতন, সংগ্রাম ও আত্মসমালোচনা, ক্ষমতা ও জনগণের সম্পর্কের এক অনন্য প্রতীক। এই তারিখ আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি, কোনো দল, কোনো মতাদর্শ কিংবা কোনো শাসক কখনোই স্থায়ীভাবে অবস্থান করতে পারে না
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা
বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আগামী কয়েক বছরে এই সম্পর্ক আরো গভীর হতে পারে। তবে সম্পর্কের প্রকৃত সাফল্য নির্ধারিত হবে কতগুলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো তার ওপর নয়, বরং কতজন মানুষের জীবনমান উন্নত হলো, কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলো এবং কতটা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেল তার ওপর।
নবাব সিরাজউদদৌলা : ট্র্যাজেডির নায়ক
নবাব সিরাজউদদৌলা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন। পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস যতবার আলোচিত হয়, ২৩ জুন যতবার ফিরে আসে, ততবারই নতুনভাবে উপলব্ধি করা হয়, ঔপনিবেশিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের কথা।
চীনের শিক্ষাব্যবস্থা: অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও ভাবনা
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চীনের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। বিশেষ করে গবেষণায় বিনিয়োগ, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন, শৃঙ্খলাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে।
ভারতের হাসিনাকে হঠাৎ সামনে আনার রহস্য কী?
বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের পক্ষে আগের মতো একক প্রভাব বিস্তার করা আর সহজ নয়। তাই “হাসিনা কার্ড” ব্যবহার করে তারা একদিকে আওয়ামী লীগের অবশিষ্ট সমর্থকদের আবেগ জিইয়ে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মানসিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করতে চাইছে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—যে রাজনীতি জনগণের ওপর না দাঁড়িয়ে, বিদেশী আশ্রয়ের ওপর দাঁড়ায়, তার পরিণতি কখনোই স্থায়ী হয় না। আজ শেখ হাসিনা হয়তো ভারতের কাছে একটি কৌশলগত সম্পদ। কিন্তু ইতিহাসের শেষ বিচারে তিনি মূল্যায়িত হবেন একজন বিতর্কিত শাসক হিসেবেই—যার শাসনামলে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ভারতও একদিন বুঝবে—কোনো দেশের জনগণকে পাশ কাটিয়ে কেবল একটি পরিবার বা একটি দলের ওপর ভর করে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না।
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ
একই সাথে সঙ্কটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
শিশু সুরক্ষায় সাঁতার শিক্ষা এখন সময়ের দাবি
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শিশুদের সাঁতার শেখানো, জলাশয়ের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
দারিদ্র্য বিমোচন বিত্তবানদের অপ্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
দারিদ্র্য বিমোচনের কার্যকর কৌশল হিসেবে কেবল নতুন সম্পদ সৃষ্টি নয়, বরং সম্পদের অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় কেন্দ্রীভূতকরণের ওপরও যুক্তিসঙ্গত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা জরুরি।
সিলিকন ভ্যালি থেকে ইসলামী ব্যাংক: কেন দেউলিয়ার পথে?
ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কোনো ভবন, প্রযুক্তি বা মূলধন নয়; বরং গ্রাহকের বিশ্বাস। এই বিশ্বাস যত শক্তিশালী, ব্যাংকের ভিত তত মজবুত।