সময় মেনে চলছে না ট্রেন

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিরাপদ বাহন ট্রেন সময় মেনে চলতে পারছে না। ঢাকা থেকে এবং ঢাকামুখী বেশ কয়েকটি ট্রেন প্রতিনিয়ত নির্ধারিত সময়ে না ছাড়ার কারণে যাত্রীদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

গতকাল রোববার দুপুরেও ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে নোয়াখালীগামী উপকুল এক্সপ্রেস ট্রেন নির্ধারিত সময়ের ২ ঘণ্টা বিলম্বে গন্তব্যের উদ্দেশ ছেড়ে যায়।

শুধু উপকূল এক্সপ্রেস নয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চিলাহাটিসহ আরো বেশ কয়েকটি রুটেই প্রতিনিয়ত ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হচ্ছে। আবার ঢাকার বাইরে থেকে যেসব ছেড়ে আসছে সেই ট্রেনগুলোও নির্ধারিত সময়ে পৌঁছতে পারছে না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

গতকাল সন্ধ্যার আগে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) থেকে মো: সবুজ নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী ট্রেনের যাত্রী নয়া দিগন্তকে টেলিফোনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বেল ৩টা ১০ মিনিটে উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সেই ট্রেনটি দুই ঘণ্টার বেশি সময় অর্থাৎ বিলম্বে ৫টা ২২ মিনিটে স্টেশন ছেড়ে যায়। কি কারণে বিলম্ব হলো তা তিনি বলতে পারেননি।

তার অভিযোগ তিনি প্রায়ই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রামের বাড়িতে যান। এ ক্ষেত্রে কখনো চট্টগ্রামের ট্রেনে উঠেন, কখনো সিলেটের ট্রেনে উঠেন, আবারো কখনো অন্য রুটের ট্রেনে চড়েও বাড়িতে যান। যে ট্রেনেই উঠেন ওই ট্রেনই বিলম্বে ঢাকা ছাড়ে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঢাকায় পৌঁছার কথা। কিন্তু সেটি প্রায় সময় রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যেও পৌঁছতে পারে না। যদিও ওই ট্রেনটি পরদিন সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ ছাড়ার শিডিউল রয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পর থেকেই সিলেট যাওয়ার সময় বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের অবস্থা খুবই খারাপ। যার কারণে যে ট্রেনটি ৫ ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছার কথা সেটি ৭-৮ ঘণ্টার আগে পৌঁছাতে পারছে না। যাত্রী দুর্ভোগও কমছে না। ট্রেন যাতে শিডিউল মেনে চলাচল করতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।