ইসলামী র্অথনীতরি পরচিয় ও এর প্রভাব: মুহাম্মদ জামাল উদ্দনি
Printed Edition
ইসলামী র্অথনীতি হলো কুরআন ও সুন্নাহর নর্দিশেনার আলোকে পরচিালতি একটি ন্যায়ভত্তিকি ব্যবস্থা। যা মানুষরে নতৈকিতা ও সামাজকি কল্যাণকে প্রাধান্য দয়ে এবং র্পাথবি ও পরকালীন কল্যাণ নশ্চিতি কর।ে ইসলামী র্অথব্যবস্থা সর্ম্পূণভাবে ইসলামী শরয়িাহর উপর প্রতষ্ঠিতি। কুরআন ও হাদসি এর মূল উৎস। এটি হালাল-হারাম মনেে চল,ে জাকাত-সাদকার মাধ্যমে সম্পদ পুর্নবণ্টন করে এবং সুদ ও জুয়াকে নষিদ্ধি কর।ে এককথায়, যে র্অথব্যবস্থা ইসলামরে নয়িম-নীতরি (কুরআন-সুন্নাহ) আলোকে পরচিালতি হয়, তাকে ইসলামী র্অথব্যবস্থা বল।ে ইসলামী র্অথনীতি র্বতমান বশ্বিরে একটি জনপ্রয়ি র্অথনতৈকি ব্যবস্থা। অমুসলমি দশেে ও এ ব্যবস্থাকে গ্রহণ করছে।ে এতে মানুষরে সব বষিয়ে সমাধান রয়ছে।ে এমনকি র্অথনতৈকি ক্ষত্রেে ও ইসলামী র্অথনীতি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাধান দয়িছেনে। সমাজবজ্ঞিানী ইবনে খালদুন বলনে, ‘ইসলামী র্অথনীতি হলো জনসাধারণরে সাথে সর্ম্পকতি বজ্ঞিান’। মহান আল্লাহর নীত-িপদ্ধতি অনুসরণে সৃষ্টরি লালন-পালনরে যাবতীয় জাগতকি সম্পদরে সামগ্রকি কল্যাণর্ধমী ব্যবস্থাপনাই ইসলামী র্অথনীত।ি ইসলামী র্অথনীতরি মূল বষিয়বস্তু হচ্ছে সুদমুক্ত লনেদনে, জাকাতভত্তিকি র্অথনীতি এবং লাভ-ক্ষতরি ভত্তিতিে বনিয়িোগ। মহান আল্লাহ পবত্রি কুরআনে বলনে- ‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করছেনে এবং সুদকে হারাম করছেনে।’ (সূরা বাকারা-২৭৫) ইসলামী র্অথনতৈকি ব্যবস্থায় ব্যবসায়কে যভোবে হালাল করা হয়ছে,ে ঠকি তমেনি অবধৈ পণ্যরে ব্যবসায় ও বনিয়িোগকে হারাম বা নষিদ্ধি করা হয়ছে।ে ইসলামী র্অথনীততিে শ্রমবহিীন শোষণমূলক আয়রে পথ যমেন- মদ, জুয়া, সুদকে সর্ম্পূণ নষিদ্ধি ও হারাম। ইসলামী র্অথনীতরি মূল লক্ষ হচ্ছে ‘র্আথ-সামাজকি সুবচিার প্রতষ্ঠিা করা। যনে ধন-সম্পদ শুধু বত্তিবানদরে মধ্য পুঞ্জীভূত না হয়।’ (সূরা হাশর-৭) প্রচলতি পুঁজতিান্ত্রকি সুদভত্তিকি র্অথনীততিে কোনো নতৈকি কাঠামোগত বাধ্যবাধকতা বা সামাজকি দায়বদ্ধতা নইে। ফলে সুদভত্তিকি লনেদনেকে অবলম্বন করে ব্যবসায়ীরা একচটেয়িা পুঁজরি মালকি হয়ে যাচ্ছ।ে অন্য দকিে সাধারণ জনগণ শোষণ নষ্পিষেণরে শকিার হচ্ছ।ে সুদভত্তিকি র্অথনীতি র্আথ-সামাজকি ক্ষত্রেে বশিৃঙ্খলা, অস্থরিতা ও ভারসাম্যহীনতার জন্ম দয়িে সমাজকে অশান্ত সাগররে বুকে হালবহিীন জাহাজরে মতো বপিন্ন করে তুলছে।ে পুঁজরি মালকি হয়ে যাচ্ছে একশ্রণেীর পুঁজপিত।ি গরবি সাধারণ জনগণ দনিরে পর দনি নঃিস্ব হয়ে যাচ্ছ।ে সজেন্য ইসলামী র্অথনীততিে জাকাতভত্তিকি র্অথনতৈকি ব্যবস্থা চালু করার কথা বলা হয়ছে।ে ধনীদরে উপর গরবিরে হক হচ্ছে জাকাত। জাকাত হচ্ছে সমাজরে দরদ্রি ও বঞ্চতিদরে সহায়তা করার জন্য আয়রে একটি নর্দিষ্টি অংশ দান করা। সরকারভিাবে দরদ্রি লোকজনরে মধ্যে সুষ্ঠুভাবে জাকাত বণ্টন করা হলে দশেরে মধ্য র্অথনতৈকি বষৈম্য দূর হয়ে যাব।ে জাকাতভত্তিকি র্অথনীতি চালু হলে দশেরে মধ্য গরবি আর ধনীদরে ব্যবধান দূর হয়ে যাব।ে ইসলামী র্অথব্যবস্থায় সম্পদরে মূল মালকিানা আল্লাহ তায়ালার। মানুষ মালকি নয়; বরং আল্লাহর পক্ষে নয়িোজতি তত্ত্বাবধায়ক, সংরক্ষক, প্রতনিধি।ি এ র্অথ ব্যবস্থায় ব্যক্ত-িমালকিানা আছ,ে তবে তা পুঁজবিাদরে মতো অবাধ এবং স্বচ্ছোচারী নয়। আবার সমাজবাদরে মতো সামষ্টকি মালকিানাও নয়; বরং এ র্অথব্যবস্থা আল্লাহ তায়ালার বধিান দ্বারা নয়িন্ত্রতি সুনর্দিষ্টি ব্যক্ত-িমালকিানা। ইসলামী র্অথব্যবস্থায় সম্পদরে সুষম ও ভারসাম্যর্পূণ বণ্টননীতি অনুসৃত হয়। এখানে কউে যমেন সম্পদরে পাহাড় গড়ে তুলতে পারে না, তমেনি কারো পক্ষে নঃিস্ব থাকাও সম্ভব না। এ ব্যবস্থায় ধনীর সম্পদে গরবিরে অধকিার দয়ো হয়ছে।ে আল্লাহ তায়ালা বলনে- ‘আর তাদরে (ধনীদরে) সম্পদরে উপর গরবি বঞ্চতিদরে অধকিার রয়ছে।ে’ (সূরা জারয়িাহ-১৯) ইসলামী র্অথব্যবস্থা জাকাত-ভত্তিকি র্অথব্যবস্থা। এখানে যে মুসলমি ব্যক্তরি কাছে তার প্রয়োজনীয় ব্যয়রে পর সাড়ে সাত তোলা র্স্বণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা কংিবা এর সমপরমিাণ র্অথ র্পূণ এক বছর অতরিক্তিি থাকে তাকে ২.৫ শতাংশ হারে জাকাত আদায় করতে হয়। আল্লাহ তায়ালা বলনে- তোমরা সালাত কায়মে করো এবং জাকাত আদায় করো। (সূরা বাকারাহ-৮৩)
ইসলামী র্অথব্যবস্থায় সব লনেদনে সুদমুক্ত। এ ব্যবস্থায় কোনো ক্ষত্রেইে সুদরে লনেদনে হালাল রাখা হয়ন।ি সুদ নষিদ্ধি করে শোষণরে পথ বন্ধ করা হয়ছে।ে আল্লাহ তায়ালা বলনে- ‘আর আল্লাহ তায়ালা ব্যবসায় হালাল করছেনে এবং সুদ হারাম করছেনে।’ (সূরা বাকারাহ-২৭৫) ইসলামী র্অথব্যবস্থায় সুদরে প্রচলন নইে। রাসূল সা: সুদ সংশ্লষ্টি সবার জন্য আল্লাহর অভসিম্পাত কামনা করছেনে। কুরআনরে চারটি সূরায় ও ১২টি আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সরাসরি সুদ পরহিার করার আদশে দয়ো হয়। সুদরে প্রথম আয়াতে বলা হয়, মানুষরে ধন-সম্পদে তোমাদরে সম্পদ বৃদ্ধি পাব,ে এই আশায় যা কছিু তোমরা সুদে দয়িে থাকো। আল্লাহর কাছে তা র্বধতি হয় না। পক্ষান্তর,ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভরে জন্য যা কছিু তোমরা জাকাতরূপে দয়িে থাক তাই বৃদ্ধি পায় এবং এরূপ লোকরোই বহুগুণে সম্পদপ্রাপ্ত। (সূরা রুম-৩৯) সুদরে তৃতীয় আয়াতে আল্লাহ পাক বলনে- ‘হে ঈমানদারগণ তোমরা সুদ খয়েো না চক্রবৃদ্ধহিার,ে তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পারো।’ (সূরা আল ইমরান-১৩০) সুদরে চর্তুথ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুদ গ্রহণরে ভয়াবহ পরণিতি সর্ম্পকে বলনে- ‘যারা সুদ খায় তারা ওই ব্যক্তরি ন্যায় দাঁড়াবে যাকে শয়তান র্স্পশ করে পাগল করে দয়ে। এ অবস্থা তাদরে এ জন্য য,ে তারা বলে বচোকনো তো সুদরে মতো। অথচ আল্লাহ বচোকনোকে বধৈ করছেনে, আর সুদকে হারাম করছেনে। যার কাছে তার রবরে উপদশে এসছেে তারপর সে বরিত হয়ছে,ে আর তার ব্যাপার আল্লাহর অধকিারভুক্ত। আর যারা আবার সুদ নবেে তারাই দোজখবাসী, তারা সখোনে চরিকাল অবস্থান করব।ে’ (সূরা-আল বাকারাহ-২৭৫) সুদ গ্রহণ আল্লাহ ও তার রাসূল সা:-এর সাথে যুদ্ধ করার শামলি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলনে- ‘তারপর যদি তোমরা তা না ছাড়ো, তবে তা হবে আল্লাহ ও তার রাসূলরে সাথে যুদ্ধরে শামলি।’ (সূরা বাকারা-২৭৯)
ইসলামী র্অথব্যবস্থায় যা খুশি উৎপাদন করা যায় না, যভোবে খুশি উর্পাজনও করা যায় না। জনস্বাস্থ্য ও র্স্বাথরে জন্য হুমকি এমন সব কছিুর উৎপাদন ইসলামে নষিদ্ধি। এ ব্যবস্থায় আল্লাহ তায়ালা হারাম করছেনে এমন কোনো কছিুর উৎপাদন বধৈ নয়। উর্পাজনরে ক্ষত্রেওে হালাল উর্পাজন বাধ্যতামূলক। রাসূল সা: বলছেনে, ‘হালাল উর্পাজন করা ফরজরে চয়েওে ফরজ।’ (বায়হাক-ি৮৪৮২) এজন্য লাভজনক মনে হলওে ইসলামী র্অথব্যবস্থায় মাদকদ্রব্য উৎপাদনরে সুযোগ নইে। সুদ, ঘুষ, চুরি বা সম্পদ আত্মসাতরে মাধ্যমওে এ ব্যবস্থায় উর্পাজন নষিদ্ধি।
বশ্বি র্অথনীততিে যদেনি হতে সুদরে লনেদনে চালু হয়ছেে সদেনি থকেে র্অথনতৈকি অবক্ষয়, র্অথনতৈকি বষৈম্য ও শোষণ, ধনী-গরবিরে ব্যবধান, র্অথনতৈকি সঙ্কট সৃষ্টি হয়ছে।ে আজকরে এ অশান্ত পৃথবিীতে র্অথনতৈকি বষৈম্য দূর করতে মানুষরে মধ্যে নতৈকি মূল্যবোধ প্রতষ্ঠিা করতে হব।ে ন্যায়ভত্তিকি সমাজব্যবস্থা চালু করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণ সাধনে ইসলামী র্অথব্যবস্থার বকিল্প নইে।
লখেক : প্রাবন্ধকি ও কলামস্টি, ব্যাংকার