লালমোহনে ৩ শতাধিক প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই

Printed Edition
Banglar Digant4a-3
লালমোহনের একটি শিাপ্রতিষ্ঠানে বাঁশ ও কলা গাছ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনার : নয়া দিগন্ত

মাকসুদুর রহমান পারভেজ লালমোহন (ভোলা)

রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর এবং স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও ভোলার লালমোহন উপজেলার অধিকাংশ শিা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার নেই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘনিয়ে এলেই বাঁশ, কলাগাছ বা অস্থায়ী কাঠামো দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে দিবসটি পালন করা হয়। এতে ভাষাশহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, উপজেলায় মোট ৩১৭টি শিা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে কলেজ ১০টি, ডিগ্রি কলেজ চারটি, স্কুল অ্যান্ড কলেজ তিনটি, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩১টি, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৬টি, মাদরাসা ৪২টি এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২১০টি। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১২টিতে স্থায়ী শহীদ মিনার আছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি এলেই অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে দিবস পালন করতে হয়। ভাষা শহীদ দিবসের আগেই ধুম পড়ে বাঁশ আর কলা গাছ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরির।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থায়ী শহীদ মিনার না থাকায় গ্রামীণ এলাকার শিার্থীরা ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে যথাযথভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা একপ্রকার প্রকৃত ইতিহাস ও শিক্ষা বঞ্ছিত হচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ আজিজ বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই, সেগুলোতে অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করে দিবসটি পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি শিাপ্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে।