বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা এমন সময়ে চলছে, যখন দুই দেশের সম্পর্ককে আবেগের বৃত্ত থেকে বের করে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা ও জবাবদিহির কাঠামোয় স্থাপন করা প্রয়োজন। ভারত আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরীক্ষিত সহায়ক। একইসাথে পানি, সীমান্ত, বাণিজ্য, রাজনৈতিক আস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের গভীর প্রত্যাশা রয়েছে। তাই সফর হওয়া উচিত সৌজন্যের আনুষ্ঠানিকতা নয়; প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর হোক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ও পরিমাপযোগ্য জাতীয় অর্জনের পথে দৃঢ় পদক্ষেপ, জনগণের জন্য পরিমাপযোগ্য সার্বভৌম অর্জনের কূটনীতি।

বাংলার ইতিহাস বুঝতে একটি ভুল ধারণার সংশোধন জরুরি। প্রাচীন বঙ্গ আধুনিক ভারতের কোনো প্রদেশ ছিল না, আবার উপমহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্নও ছিল না। বঙ্গ, গৌড়, পুণ্ড্র, রাঢ়, সমতট ও হরিকেলের জনপদ কখনো স্বাধীন, কখনো বৃহত্তর সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। নদী, ব-দ্বীপের কৃষি, নৌবাণিজ্য, ভাষা, খাদ্যাভ্যাস ও লোকসংস্কৃতি বাংলাকে স্বতন্ত্র চরিত্র দিয়েছে। তাই আমাদের পূর্বপুরুষ আধুনিক অর্থে ভারতীয় নাগরিক নন; তারা ছিলেন বঙ্গীয় জনপদের মানুষ এবং বৃহত্তর ভারতীয় উপমহাদেশের অধিবাসী।

ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি সেনশাসিত নদিয়ার একাংশ জয় করে উত্তর ও পশ্চিম বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন; তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেননি। বাঙালির ইসলাম গ্রহণও একদিনের ঘটনা নয়। সুফি, আলেম, ব্যবসায়ী, কৃষি সম্প্রসারণ, নতুন বসতি, সামাজিক গতিশীলতা ও ব্যক্তিগত বিশ্বাসের মাধ্যমে কয়েক শতাব্দীতে স্বতন্ত্র বাঙালি মুসলিম সমাজ গড়ে ওঠে।

চতুর্দশ শতকে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে এক শাসনে এনে ‘বাংলাহ’ পরিচয়কে রাজনৈতিক ভিত্তি দেন। সুলতানি ও মোগল আমলে ভাষা, সাহিত্য, স্থাপত্য, কৃষি ও বাণিজ্য সমৃদ্ধ হয়। এই ইতিহাস আমাদের বহুমাত্রিক পরিচয় দিয়েছে : ধর্মে মুসলমান, ভাষা ও সংস্কৃতিতে বাঙালি, রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে বাংলাদেশী। মুসলমানের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতাকে ধারণ করেও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ সব নাগরিকের সমান অধিকার ও অংশীদারত্বেই পূর্ণতা পায়।

১৭৫৭ সালের পলাশীর বিপর্যয় শুধু মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ফল ছিল না; দরবারি ষড়যন্ত্র, বাণিজ্যিক স্বার্থ, সামরিক দুর্বলতা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পরিকল্পনা একসাথে কাজ করেছে। জাহাঙ্গীরের দরবারে ১৬১৫ সালে স্যার টমাস রো বাণিজ্যিক সুবিধা চেয়েছিলেন; কোম্পানি সেই সুযোগকে পরে রাজনৈতিক ক্ষমতায় রূপ দেয়। শিক্ষা স্পষ্ট : অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও দুর্বল প্রতিষ্ঠান বিদেশী প্রভাবের পথ খুলে দেয়।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ, ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগের জন্ম, চল্লিশের লাহোর প্রস্তাব ও সাতচল্লিশের দেশভাগ পূর্ব বাংলার মুসলমানের পৃথক রাজনৈতিক চেতনাকে গতি দেয়। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রমাণিত হয়, ধর্মীয় ঐক্য ভাষা, অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন মেটায় না। ভাষা আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম, সত্তরের নির্বাচনী রায় ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সেই পরিচয়কে স্বাধীন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে রূপ দেয়।

মুক্তিযুদ্ধে ভারত আশ্রয়, প্রশিক্ষণ, কূটনৈতিক সহায়তা ও সামরিক সহযোগিতা দিয়ে বাংলাদেশের বিজয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে; প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়াও ছিল অসাধারণ মানবিক অবদান। এই ঐতিহাসিক অবদান আমরা কৃতজ্ঞতা ও মর্যাদার সাথে স্মরণ করি। কিন্তু কৃতজ্ঞতা কোনো রাষ্ট্রকে স্থায়ী রাজনৈতিক আনুগত্যে আবদ্ধ করে না। বন্ধুত্ব তখনই টেকসই হয়, যখন উভয় দেশ বর্তমানের প্রতিটি বিষয়ে সমান সার্বভৌমত্ব, স্বচ্ছতা ও পারস্পরিক লাভকে মানদণ্ড করে।

দুই দেশের সম্পর্কের সাফল্যও কম নয়। গঙ্গার পানিচুক্তি, স্থলসীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, সমুদ্রসীমার শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি, বিদ্যুৎ বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা দেখিয়েছেÑ রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে কঠিন সমস্যার সমাধান সম্ভব। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ, বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ, আঞ্চলিক স্থিতি ও বাজারের জন্য বাংলাদেশ অপরিহার্য; আবার বাংলাদেশের জন্য ভারতের বাজার, ট্রানজিট, জ্বালানি, চিকিৎসা ও আঞ্চলিক সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কটি তাই দয়া বা নির্ভরতার নয়, পরস্পরের প্রয়োজন ও সম্ভাবনার।

তবু আস্থার ঘাটতি বাস্তব। তিস্তার পানিবণ্টন দীর্ঘ দিন অমীমাংসিত; সীমান্ত হত্যা ও অনিয়মিত পুশইন মানুষের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে; অশুল্ক বাধা ও আকস্মিক বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ বাংলাদেশের ব্যবসায় অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। বাণিজ্যঘাটতি একা অন্যায়ের প্রমাণ নয়; কিন্তু বাজারে অসম প্রবেশাধিকার, মাননিয়ন্ত্রণের জটিলতা ও স্থলবন্দরের সীমাবদ্ধতা অবশ্যই আলোচ্য। ভারত কোনো একটি দলকে বাংলাদেশের সমার্থক ধরে নিলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জনগণের ভিত্তি হারায়। ২০১৪ সালের পর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনগুলোর ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার শাসনের প্রতি দিল্লির নীতিগত সমর্থন বাংলাদেশের মানুষের বড় অংশে এই ধারণা সৃষ্টি করেছে যে ভারত জনগণের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট সরকারকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রতিবেশীর স্থিতিশীলতা কাম্য; কিন্তু স্থিতিশীলতার প্রকৃত ভিত্তি জনগণের সম্মতি, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল বৈষম্য, দমন, দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে নাগরিক মর্যাদার বিস্ফোরণ। তরুণদের আত্মত্যাগ এমন একটি রাষ্ট্রের অঙ্গীকার বহন করে, যেখানে ভোটের অধিকার, আইনের শাসন, জবাবদিহি ও জাতীয় স্বার্থ কারো ব্যক্তিগত বা দলীয় সুবিধার অধীন হবে না। ২০২৬-এর সরকারকে এই আকাক্সক্ষা পররাষ্ট্রনীতিতেও বাস্তবায়ন করতে হবে সাহসী ভাষায়, পেশাদার প্রস্তুতিতে এবং দৃশ্যমান ফলাফলে।

আমি প্রধানমন্ত্রী হলে ১১ সেপ্টেম্বর দিল্লি যেতাম, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের একদিন আগে। প্রথম দিন পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের মানুষের ক্ষোভ, বেদনা ও প্রত্যাশা মর্যাদার সাথে তুলে ধরতাম। ১২-১৩ সেপ্টেম্বর বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নিতাম। এতে ১৯৭১ সালে ভারতের অবদানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, নিকট প্রতিবেশীর সাথে ন্যায্য সহযোগিতার সদিচ্ছা এবং দূরবর্তী বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সাথে বহুমুখী অংশীদারত্বের বার্তা একসাথে পৌঁছাত। অভিন্ন জাতীয় অবস্থান নিয়ে প্রধান বিরোধী দলগুলোর মনোনীত দুই-তিনজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিকে সাথে নিতাম, যাতে দিল্লি ও ভারতের জনগণ দেখেন- ভারতনীতি কোনো দলের সম্পত্তি নয়; এটি বাংলাদেশের জাতীয় নীতি। তাদের বলতাম : আমাদের আপত্তি ভারতীয় জনগণের বিরুদ্ধে নয়। আমরা চিরস্থায়ী প্রতিবেশী; পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা ও দুই দেশের মানুষের কল্যাণের ভিত্তিতে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে এগোতে চাই।

তবে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, পূর্বসম্মত আলোচ্যসূচি, প্রধান প্রত্যাশিত ফলাফল, সম্ভাব্য যৌথ ঘোষণার মৌলিক খসড়া এবং বাস্তবায়ন কাঠামো নিশ্চিত হওয়ার পরই সফর চূড়ান্ত হবে। এসব নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো সফর বা আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে না। কারণ সফর নিজে কোনো অর্জন নয়; জনগণের জন্য পরিমাপযোগ্য জাতীয় ফলই তার উদ্দেশ্য। প্রস্তুতি হবে মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী, সীমান্তবাসী, নদী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক পক্ষগুলোর পরামর্শে। প্রতিনিধিদলের সবাই একটি অনুমোদিত জাতীয় অবস্থানপত্র অনুসরণ করবেন।

আলোচ্যসূচির প্রথম স্তম্ভ হবে সার্বভৌমত্ব ও আস্থা। শেখ হাসিনাসহ বাংলাদেশের আদালতে দণ্ডিত বা বিচারাধীন পলাতকদের বিষয়ে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে ভারতের লিখিত অবস্থান ও সময়সীমাবদ্ধ আইনি প্রক্রিয়া চাইতে হবে। ভারতের ভূখণ্ড থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উসকানি, সহিংসতা বা অপতৎপরতা প্রতিরোধে যাচাইযোগ্য ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলাদেশও তার ভূখণ্ড ভারতের নিরাপত্তাবিরোধী কাজে ব্যবহৃত হতে না দেয়ার অঙ্গীকার দৃঢ়ভাবে পালন করবে। পারস্পরিক নিরাপত্তা হবে সমান দায়বদ্ধতার চুক্তি, একতরফা প্রত্যাশা নয়।

দ্বিতীয় স্তম্ভ হবে পানি ও সীমান্ত। তিস্তার অন্তর্বর্তী পানিবণ্টন, অববাহিকাভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও শুষ্ক মৌসুমের তথ্য বিনিময়ের তারিখযুক্ত রোডম্যাপ চাই। গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ কাঠামো আগেভাগে প্রস্তুত করতে হবে। সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ, প্রতিটি মৃত্যুর যৌথ তদন্ত, দায় নির্ধারণ, নিয়মিত পতাকা বৈঠক এবং পরিচয় যাচাই ছাড়া কাউকে সীমান্ত পার না করানোর লিখিত প্রটোকল প্রয়োজন। সীমান্তের মানুষকে সন্দেহভাজন নয়, দুই দেশের সম্পর্কের অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে।

তৃতীয় স্তম্ভ হবে ন্যায্য অর্থনীতি। বাংলাদেশী পণ্যের অশুল্ক বাধা কমানো, স্থলবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রত্যাহৃত ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধার কার্যকর বিকল্প, পাট, তৈরী পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট ব্যবস্থা চাই। ভারতকে দেয়া ট্রানজিট ও সংযোগসুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশের ন্যায্য ফি, অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং নেপাল-ভুটানের সাথে নিরবচ্ছিন্ন বাণিজ্য ও বিদ্যুৎ করিডোর নিশ্চিত করতে বাধ্যতামূলক পারস্পরিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চুক্তিতে মূল্য, সক্ষমতা-চার্জ, দায় ও ক্রয়শর্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ দিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।

প্রতিটি সমঝোতার সাথে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, সময়সীমা, অগ্রগতি সূচক এবং ছয় মাস অন্তর প্রকাশ্য পর্যালোচনা যুক্ত থাকতে হবে। যৌথ ঘোষণায় অস্পষ্ট ‘সহযোগিতা বাড়ানোর’ ভাষার বদলে কত পানি, কত শুল্কসুবিধা, কোন সীমান্ত প্রটোকল, কোন করিডোর এবং কখন বাস্তবায়নÑ তা লিখতে হবে। সংসদকে অবহিত করা এবং প্রয়োজনীয় চুক্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করা রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির অংশ।

বাংলাদেশের কূটনীতি ভারতবিরোধিতা কিংবা ভারতনির্ভরতার মধ্যে আটকে থাকবে না। আমরা ভারতের ন্যায্য উদ্বেগ শুনব, নিজেদের ন্যায্য অধিকার দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করব এবং চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মুসলিমবিশ্ব, জাপান, আসিয়ান ও ব্রিকসভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক সম্প্রসারণ করব। শক্তিশালী অর্থনীতি, জাতীয় ঐক্য ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানই সফল কূটনীতির মূল পুঁজি। দিল্লি সফরের সার্থকতা ছবিতে নয়, ফিরে আসার পর বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, সীমান্তবাসী, রোগী ও তরুণ কী পেলেনÑ সে হিসেবেই নির্ধারিত হবে। সমমর্যাদার প্রতিবেশিতা, জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা এবং পরিমাপযোগ্য অর্জনÑ এই তিন নীতিই হোক নতুন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য

rtlbddhaka@yahoo.com