গুম প্রতিরোধ-মানবাধিকার কমিশনসহ সংসদে তিন বিল উত্থাপিত
Printed Edition
সংসদ রিপোর্টার
মানবাধিকার, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং বিদ্যমান আইনের গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের লক্ষ্যে গতকাল জাতীয় সংসদে তিনটি পৃথক বিল উত্থাপিত হয়েছে। সংসদের কার্যসূচি অনুযায়ী এদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপনের পর সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
উত্তাপিত বিল তিনটি হলো-
১. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল : জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিতপূর্বক একটি নতুন আইন প্রণয়নকল্পে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান। বিলটি পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
২. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল : গুম প্রতিরোধ, দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিতকরণ, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিকার এবং মানবাধিকার, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের জন্য ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। পরে বিলটি বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক প্রতিবেদন দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, স্থায়ী কমিটিগুলো আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে বিলগুলো পর্যালোচনা শেষে স্ব-স্ব প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে জমা দেবে।
৩. ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (সংশোধন) বিল : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ‘ঞৎধহংভবৎ ড়ভ চৎড়ঢ়বৎঃু অপঃ, ১৮৮২ (অপঃ ঘড়. ওঠ ড়ভ ১৮৮২)’ অধিকতর সংশোধনকল্পে বিলটি উত্থাপন করেন। পরে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।