ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রতিকার চেয়েছেন কলি

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক জি এম হায়দার সাজ্জাদের বিপক্ষে যৌন হয়রানির অভিযোগ করে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন শুটার কামরুননাহার কলি। যদিও তার করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত হয়েছিল তদন্ত কমিটি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সেই তদন্ত কমিটি কলির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। ফলে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় জি এম হায়দারকে। এরপরও ফেডারেশন ৯ ফেব্রুয়ারি বহিষ্কার করে কলিকে। কলি অপেক্ষায় ছিলেন জাতীয় নির্বাচনের। ফলে পরশু দিন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছে ফেডারেশনের দেয়া শাস্তির প্রতিকার চেয়ে চিঠি দিয়েছেন কলি।

গতকাল কলি ফোনে জানান, ১৮ তারিখে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জোবায়দুর রহমান রানা কথা বলেন আমার সাথে। উনি বলেছেন আমার অভিযোগ সত্য ছিল বলেই শুটিং ফেডারেশন থেকে বাদ পড়েছেন একটি দোষী ব্যক্তি। তোমার বিরুদ্ধে কোড অব কডাক্ট ভঙ্গের অভিযোগ করা হলেও তুমি সেই কাজ করেছ বলেই ওই ব্যক্তির শাস্তি হয়েছে। যার অর্থ তুমি সঠিক। তাই এখন তুমি এই মর্মে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদন করো। আমি সেই মোতাবেকই আবেদন করেছি।

এ দিকে এই বছরই ২০২৮ অলিম্পিক গেমসের কোটা প্লেসের টুর্নামেন্ট শুরু। জার্মানিতে বিশ্বকাপ আছে। রয়েছে এশিয়ান গেমস-সহ আরো টুর্নামেন্ট। কলি জানান, আমাকে এখন সাসপেনশন মুক্ত হয়ে এই আসরগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। অলিম্পিকে কোটা প্লেস করাটা আমার মূল লক্ষ্য।