সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই : পানিসম্পদ মন্ত্রী
Printed Edition
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন, সারা দেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। আর লক্ষ্মীপুরেতো নাই-ই। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউজে সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিন দিনের সফরে এ্যানি চৌধুরী বৃহস্পতিবার রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এসেছেন। সকালে সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে সাাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এর আগে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। এ্যানি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব।
সার্কিট হাউজে মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো: আবু তারেক, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান হাছানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু প্রমুখ।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে মন্ত্রী পরিষদের সভা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা যেন সুন্দরভাবে থাকে সে দিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন। রমজান মাসে যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে, পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন আমরা কিভাবে অব্যাহত রাখব, সেটা যেকোনো অবস্থান থেকে যেকোনো ডিপার্টমেন্টে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে হবে। সদর হাসপাতালে মানুষের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা নিয়ে বিশেষ নজর রাখছি।
তিনি আরো বলেন, লক্ষ্মীপুরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য ইতোমধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে একটি নতুন প্রকল্প- ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খান পুনঃখনন হাতে নেয়া হবে। আমরা যদি এ প্রকল্পটি হাতে নিতে পারি তবে লক্ষ্মীপুরে যে জলাবদ্ধতা-ব্যাধি, দীর্ঘদিনের মানুষের যে কষ্টের জায়গা, সেখান থেকে আমরা মুক্ত হতে সম হবো। মেঘনা নদী ও রহমতখালী খাল পাড়ে ভাঙন রয়েছে, সম্ভব্যতা যাচাই করে তা সমাধান করার ল্েয উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশব্যাপী খাল খনন করা হবে। ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ সেটা করা হবে। শিগগিরই খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে। সেটার মধ্যে লক্ষ্মীপুরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ও অবহেলিত এলাকা লক্ষ্মীপুর। আমাদের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা সুন্দর একটি পরিবেশ পেয়েছি। যারা বিগত আন্দোলন সংগ্রামের গুম-খুন ও শহীদ হয়েছেন আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সবার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। লক্ষ্মীপুরকে নতুনভাবে সাজাতে হব। দীর্ঘদিনের মানুষের প্রত্যাশা একটি সুন্দর লক্ষ্মীপুর গড়ে তোলা। নির্বাচনে গণসংযোগে যখন গিয়েছি, সবার আবদার ছিল। রাস্তা, এলাকায় জলাবদ্ধতা, বঞ্চিত অবস্থা, অবহেলার শিকার হওয়া, আমরা এখন যেন নতুন করে লক্ষ্মীপুর গড়ে তুলতে পারি সেদিকে নজর থাকবে।