৪-৫টি স্বর্ণের প্রত্যাশা উশুতে
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
২০১০ এস এ গেমসে বাংলাদেশ উশুতে দু’টি স্বর্ণ ও দু’টি ব্রোঞ্জপদক জয় করে। পরের গেমগুলোতে পদক থাকলেও স্বর্ণের আর দেখা মেলেনি। এর মধ্যে সর্বশেষ রিয়াদ ইসলামী সলিডারিটি গেমসে একটি ব্রোঞ্চ জয়। এখন আগামী এস এ গেমসে স্বর্ণের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করতে চায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সেক্রেটারি দিলদার হাসান দিলু জানান, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য আগামী এস এ গেমসে আমরা চার-পাঁচটি স্বর্ণ জিততে চাই। সেভাবেই কাজ করছি। সারা বাংলাদেশ থেকে খেলোয়াড় সংগ্রহের কাজও শুরু করেছি।’ গতকাল মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অষ্টম চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী দিনে এই কথা বলেন দিলু। আরো জানান, এবারের আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে উশুর চারজন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন।
১৯টি ক্লাবের ২৭৯ খেলোয়াড় অংশ নেয় দুই দিনব্যাপী এই আসরে। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক। চীনের সাথে ক্রীড়া সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সুসম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে সরকার ‘ক্রীড়া কূটনীতি’কে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
আসরে জিতি সার্ভিস ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আর্মি, রানার্স-আপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। জিতি সিভিল ইভেন্টে প্রথম হয়েছে কক্সবাজারের চাইনিজ উশু স্কুল, দ্বিতীয় রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অর্গানাইজেশন। ডিসপ্লে ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন মডার্ন মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টার, রানার্স-আপ রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অর্গানাইজেশন। ডিসপ্লে সার্ভিস টিম ও ডুইলিয়ান সার্ভিস টিম, দুই ইভেন্টেই সেরা বাংলাদেশ আর্মি, দ্বিতীয় বিজিবি। এ ছাড়া ডুইলিয়ান সিভিল ইভেন্টে কক্সবাজারের চাইনিজ উশু স্কুল প্রথম এবং আব্দুল জলিল চৌধুরী মার্শাল আর্ট অ্যাকাডেমি দ্বিতীয় হয়েছে।