বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধের ছক কষছে ভারত?

Printed Edition

বিশেষ সংবাদদাতা

দিল্লিতে হাসিনার অডিও বক্তব্য প্রচারের পর ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া ও স্পষ্ট বিবৃতির পরও বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে। জার্মানির মিডিয়া ডয়চে ভ্যালেকে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস ৩০ মিনিটের দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছে। তিনি আরো জানান, শেখ হাসিনা গোপনে বা মধ্যরাতে ভারতে যাননি বরং বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী তার নিরাপত্তার জন্য তাকে ভারতে দিয়ে এসেছে। রিভা গাঙ্গুলী উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা ভারতের একটি প্রমাণিত ও বিশ্বস্ত বন্ধু। বাংলাদেশের তরফ থেকে হাসিনাকে ‘পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী’ ও একটি মাফিয়া চক্রের’ প্রধান হিসেবে উল্লেখ করে ওই বিবৃতিতে ভারতকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়, ‘সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে-অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে ভারতের সাথে একটি গঠনমূলক, পারস্পরিক সুবিধাজনক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।’

অথচ এই বিবৃতির পর ভারতে হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়া নিয়ে ঢাকার আপত্তির বিষয়ে রিভা গাঙ্গুলী জানান, ভারত এর সরাসরি দায় দেখছে না এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বিষয়টিকে অস্বাভাবিক হিসেবে মনে করছে না। অথচ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঢাকার বিবৃতির পর বলতে বাধ্য হয়, ভারত হাসিনার বক্তব্য বিশ্বাস করে না। এরপরও ডয়চে ভ্যালেকে রিভা বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই দেখছে। হাসিনা বর্তমানে একটি প্রতিকূল বা কঠিন পরিস্থিতিতে (অ্যাডভার্স সিচুয়েশনে) আছেন, তবে এতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মৌলিক প্রতিফলনে বড় কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। রিভার এ বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিই কি ভারতের লক্ষ্য? তা না হলে রিভা কিভাবে বলেন, ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনার দেয়া রাজনৈতিক বক্তব্যকে তিনি অস্বাভাবিক হিসেবে দেখতে চান না। হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলন নিয়ে ভারত কোনো সরাসরি দায় দেখছে না বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। এ ছাড়া ফাঁসির রায় বা অন্যান্য প্রতিকূলতার বার্তা সত্ত্বেও হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার যে বার্তা দিয়েছেন এবং রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন তার একটা শেষ দেখার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন রিভা।

শামীম পাটোয়ারীর গৃহযুদ্ধের শঙ্কা

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গৃহপালিত বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নেতা

জিএম কাদের ভারত সফর করে দেশে ফিরে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের সাথে কী শলাপরামর্শ করে এসেছিলেন সে সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বলেছিলেন, মুখ খোলা বারণ। এখন জাপা নেতাদের মুখ খোলা বারণ নেই। বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে জাপা নেতা শামীম হায়দার পাটোয়ারী খোলামেলাই বলছেন, হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সহ্য করতে পারবে না সরকার। ‘মানচিত্র’ চ্যানেলে শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও মঞ্জুরুল আলম পান্নার মধ্যকার আলোচনার মূল বক্তব্য হচ্ছে, সরকার চাইবে না হাসিনা এখনই ফিরে আসুক। কারণ সরকার রাজনৈতিক দিক থেকে এখনো ততটা শক্তিশালী বা গুছিয়ে ওঠার অবস্থানে নেই। শামীমের মতে হাসিনা ফিরলে তার অনুসারী বা আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং তাদের বিরোধী মব বা জামায়াত-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মুখোমুখি সঙ্ঘাত সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশকে একটি ছোটখাটো গৃহযুদ্ধ বা অস্থিরতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। শামীম দাবি করেন, পুলিশ বাহিনী যথেষ্ট ডিমোরালাইজড বা মনোবলহীন অবস্থায় থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে পুরোদমে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হতে পারে। শামীম এও অভিযোগ করেন, পুলিশে সংস্কার করা হয়নি, সেনাবাহিনীকে দিয়ে পুলিশের কাজ করানো হচ্ছে। চব্বিশের ৫ থেকে ৮ আগস্টের ঘটনাগুলোতে সাধারণ পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন তাদের সাথে অনেক অন্যায় করা হয়েছে। পুলিশ যদি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয় এবং তাদের অসন্তোষ দূর না করা হয়, তবে ভবিষ্যতে এটি একটি বিপ্লব বা বিদ্রোহের কারণ হতে পারে।

বাকস্বাধীনতা বনাম গৃহযুদ্ধের উসকানি

বাকস্বাধীনতার নামে হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে এখনো বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক করে তোলার যে প্রাণান্তকর চেষ্টা দেখা যায় এমন ‘সিনিয়র’ সাংবাদিক ও কথাযুদ্ধের ফেরিওয়ালাদের সাথে ভারতীয় কূটনীতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্যের মধ্যে অদ্ভুত সাদৃশ্য লক্ষ করার মতো। আওয়ামী লীগের তরফ থেকে কোনো ধরনের অনুশোচনার বিন্দুমাত্র লেশ দেখা না গেলেও রিকনসিলিয়েশনের তাগিদ আসছে ভারতের তরফ থেকে। স্বয়ং বিএনপি সরকারের মধ্যে অনেকে আছেন, যারা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার আছে, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। বাংলাদেশের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা এবং ভারতের গুপ্তচর সংস্থা র’-এর সম্ভাব্য রূপরেখা বিশ্লেষণ করে।

ভারতের ‘স্কিল বাংলা’ চ্যানেলের একটি এপিসোডে বলা হয়েছে আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের অন্তত পাঁচ লাখ নেতাকর্মী হাসিনাকে ঘিরে ঢাকার পথে মার্চ করবেন। সীমান্তে এলেই তারা স্বাগত জানাবেন নেত্রীকে। ভারতের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদল করা নয় বরং ভারতের সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। আর হাসিনা দেশে ফেরার জন্য বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের ঘোষণা দিলে সেখানে লাখ লাখ সমর্থকের সমাবেশ ঘটতে পারে। এত বিশাল জনস্রোতের মুখোমুখি হওয়া যেকোনো প্রশাসনের জন্য আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত বড় পরীক্ষার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠগুলোর সাথে এ ধরনের বিশৃঙ্খলময় পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলেও জানান দেয়া হয়।

তারেককে নিয়ে ফের আপত্তিকর বক্তব্য বীণার

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে সাবেক কূটনীতিক ও হাইকমিশনার বীণা সিক্রি বলেন, গোটা বিশ্ব যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলছে যে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করলে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আসবে না অথচ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা আমাদের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছেন এবং বলেছেন যে, হাসিনার অবস্থান দুই দেশের সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে তখন আমি জানতে চাই, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করতে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? প্রকৃতপক্ষে তিনি আমাদের হাইকমিশনারকে অপমান করেছেন, যিনি কিনা প্রধানমন্ত্রী মোদির সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিনিধি এবং একজন ক্যাবিনেট পদমর্যাদার কর্মকর্তা। কিন্তু তারেক রহমানের প্রশাসন প্রথমত আমাদের হাইকমিশনারকে প্রায় তিন সপ্তাহ পর্যন্ত পরিচয়পত্র পেশ করতে দেয়নি। সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিষয়টিকে উত্থাপন করার পরই কেবল তা সম্ভব হয়েছিল। আমি যখন হাইকমিশনার ছিলাম, তখন পৌঁছানোর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই পরিচয়পত্র পেশ করা সম্ভব হতো; ভারতীয় কোনো হাইকমিশনারকে আগে কখনো পরিচয়পত্র পেশের জন্য এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি।

বীনা বলেন, পরিচয়পত্র পেশ করার পর প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করাটা একটি স্বাভাবিক কূটনৈতিক সৌজন্য। অথচ আজ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হয়নি। তিনি অন্যান্য দেশের প্রতিনিধি ও সফররত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক করেছেন, কিন্তু আমাদের হাইকমিশনারের সাথে দেখা করেননি। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক প্রতিনিধির প্রতি সরাসরি অপমান। অথচ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি প্রথম সফরে ভারতে আসবেন, আওয়ামী লীগের ওপর থেকে রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন। কিন্তু তিনি তার কোনোটিই করেননি। উল্টো তিনি চীন সফরে গিয়ে এমন কিছু প্রকল্পে সম্মত হয়েছেন, যেগুলো ভারতের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এমনকি বীণা অত্যন্ত আপত্তিকরভাবে প্রশ্ন তুলে বলেন, বাংলাদেশে কি আদৌ কোনো গণতন্ত্র আছে? হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর পরবর্তী ১৮ মাসে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, অর্থনীতি নি¤œমুখী, সেখানে গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক কাজকর্মের কোনো অস্তিত্বই নাই। তথাকথিত শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক দলের কোনো নিজস্ব বাস্তব অস্তিত্ব বা সর্বজনীন স্বীকৃতি ছিল না। আমাদের আগে সেই ইস্যুগুলোর সমাধান করতে হবে। আর মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে (জুলাই বিপ্লবে) যে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর বড় অংশই ভুয়া তথ্য। জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদনে যেসব তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছিল, তার সত্যতা ইতোমধ্যে বিভিন্ন তথ্যের মাধ্যমে খণ্ডন করে ভুল প্রমাণিত করা হয়েছে। একটি নীতিগত ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হাসিনার দেশে ফের অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি দাবি এবং তাকে দেশে ফেরার সুযোগ দেয়া উচিত। এটি জাতীয় পুনর্মিলন বা সমঝোতার একটি সঠিক মুহূর্ত। বাংলাদেশের সমস্ত রাজনৈতিক শক্তির একত্র হওয়া উচিত, জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা উচিত এবং দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা উচিত। বাংলাদেশের ভেতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্থির। এমনকি কিছু দিন আগে ঢাকায় হাজার হাজার কালো পতাকা নিয়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভারত এযাবৎকাল চরম রাজনৈতিক ও কৌশলগত ধৈর্য প্রদর্শন করেছে। কিন্তু অপর পক্ষ থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশে পা দিয়েই ত্রিবেদীর বড় ভুল

বেনাপোলে পা রেখেই ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের জনগণ এক হয়ে গেলে সবকিছুই করা সম্ভব। জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে যে বিরাট পরিবর্তন ঘটে গেছে সে সম্পর্কে কোনো হোমওয়ার্ক করে আসেননি ত্রিবেদী। তার এই আপত্তিকর বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষ ভালোভাবে না নিলেও কূটনৈতিক সৌজন্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। যে কারণে গতকাল রোববার ত্রিবেদীকে বলতে হচ্ছে, তারেক রহমান-মোদি আলোচনায় বসলে বহু সমস্যার সমাধান সম্ভব। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু বাংলাদেশ ভারত কেন যেকোনো দেশের সাথেই সমতা ও সমমর্যাদার সাথে বসতে চায়। এই অনুভূতি ভারতীয়দের মধ্যে এখনো আসেনি বলে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত কড়া, স্পষ্ট বিবৃতি দিতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভ্রান্তকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিভ্রান্তকারীরা সুযোগ পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনগণ ও দেশ। সাম্প্রতিক ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, এনসিপির জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার গুজবসহ জুলাই বিপ্লবের সমর্থক রাজনৈতিকদলগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির জন্য নানা কায়দায় বয়ান তৈরির অপকৌশল আদতে ডিসেম্বর নাগাদ বিশৃঙ্খলা ও গৃহযুদ্ধের কোশেস মাত্র।