মুগ্ধতা ছড়ালেন রুবাইয়া এশা

Printed Edition
bino-5
মুগ্ধতা ছড়ালেন রুবাইয়া এশা

বিনোদন প্রতিবেদক

রুবাইয়া এশা, এই প্রজন্মের নন্দিত উপস্থাপিকা এবং নবাগত অভিনেত্রী। পেশাগতভাবে উপস্থাপনায় এশা বিগত তিন বছর যাবত ‘বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এর সাথে সম্পৃক্ত। তবে অভিনয়ের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা, অভিনয় তার প্রাণের খোরাক। এই প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসারের সাথে তিনি প্রথম নাটকে অভিনয় করেন। অভিনয় করেছেন তিনি থিয়েটারে। অভিনয় শিখেছেন। সেসব অভিজ্ঞতাই কাজে লাগিয়েছেন নাটকে। গত ১৫ জানুয়ারি ‘সিনেস্কোপ’ ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় এশার প্রথম একক নাটক ‘প্রীতি আমি আর আসব না’। নাটকে প্রীতি চরিত্রেই অভিনয় করেছেন তিনি এই প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেতা আরশ খানের বিপরীতে। নাটকটি প্রকাশের পর এর গল্প এবং আরশ ও এশার অনবদ্য অভিনয় দর্শককে মুগ্ধ করছে। প্রথম একক নাটকে প্রীতি চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের কারণে দর্শকের কাছে তিনি ‘ড্রিমগার্ল’রূপেও আখ্যা পাচ্ছেন। কারণ দর্শক তাকে এই জেনারেশনের ড্রিমগার্ল হিসেবেই আখ্যা দিচ্ছেন নাটকে মন্তব্যের ঘরে। নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন সময়ের প্রখ্যাত নির্মাতা ইমরাউল রাফাত। উপস্থাপনা, অভিনয় এবং প্রীতি আমি আর আসব না’ প্রসঙ্গে রুবাইয়া এশা বলেন, ‘উপস্থাপনা আমার পেশা, এটি আমি ছাড়তে পারব না। তাছাড়া আমার যখন নাটকের শুটিং থাকে আমার অফিসও আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করে। মনের গহিন কোনে সুপ্ত বাসনা ছিল যে, আমি একসময় অভিনয় করব। সেই সুপ্ত বাসনা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা জন্মায়। অভিনয় আমার কাছে প্রাণের খোরাক। অভিনয় না করতে পারলে আমার দম বন্ধ লাগার মতোই অবস্থা হয়। অভিনয়টা করে যেতে চাই আমি। প্রীতি আর আমি আসব না আমার প্রথম একক নাটক। বাস্তবের আমি যেরকম স্ট্রেট ফরোয়ার্ড নাটকের প্রীতি ভালোবাসার ঢেউয়ের সাথে বয়ে যাওয়া এক চরিত্র। চমৎকার একটি গল্পে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য এবং প্রীতি চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে সহযোগিতা করার জন্য ইমরাউল রাফাত ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি আমাকে নিয়ে ভেবেছেন এটাই অনেক বড় বিষয়। আরশ ভাই ভীষণ সহযোগিতা করেছেন। দর্শকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ভালোবাসা যে, তাদের কাছ থেকেও অনেক সাড়া পাচ্ছি।’ খুলনার মেয়ে এশা কিছু দিন আগেই বিবিএ সম্পন্ন করা মার্শাল আর্টেও অভিজ্ঞ। ড্যান্স করতে ভীষণ ভালোলাবাসেন এশা। বিজ্ঞাপনেও মডেল হিসাবে কাজ করেছেন তিনি অমিতাভ রেজা চৌধুরী, শাহরিয়ার পলক’সহ আরো কয়েকজনের নির্দেশনায়। ছোটেবলা থেকেই লেখালেখির অভ্যাস তার।