তিন সঙ্কটে চাপে জনজীবন

Printed Edition
first-1

সংসদ প্রতিবেদক

  • লোডশেডিংয়ের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর
  • গুদামে সার থাকলেও মাঠে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ আখতার হোসেনের
  • কৃষিমন্ত্রীর দাবি, সঙ্কট নেই, সঙ্ঘবদ্ধ দল কৃত্রিম সঙ্কটের চেষ্টা করছে

বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, মাঠে সারও নেই। এক দিকে তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন ও শিল্পকারখানা বিপর্যস্ত, অন্য দিকে গ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এরই মধ্যে গুদামে পর্যাপ্ত মজুদের দাবি থাকলেও কৃষককে বাড়তি দামে সার কিনতে হচ্ছে। জাতীয় সংসদে গতকাল বুধবার উঠে এসেছে দেশের জ্বালানি ও সার সঙ্কটের বিপরীতমুখী চিত্র। সরকারের হিসাবে গুদামে প্রায় ১৩ লাখ টন সার থাকলেও মাঠে কেন তার সঙ্কট- এ প্রশ্নের সুস্পষ্ট জবাব মেলেনি। কৃষিমন্ত্রী সিন্ডিকেটের কথা জানিয়েছেন। আর বিদ্যুৎ-গ্যাস সঙ্কটের জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশে রংপুর-৪ আসনের এনসিপির সংসদ আখতার হোসেন সারের মাঠপর্যায়ের সঙ্কটের বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দেশে সারের কোনো সঙ্কট নেই দাবি করেন। তিনি বলেন, একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা করছে। এ সময় সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

আখতার হোসেন বলেন, সরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত সার মজুদের কথা বলা হলেও মাঠের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই) ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং দুর্বল মনিটরিংয়ের সুযোগ নিয়ে অসাধু ডিলার ও সিন্ডিকেট সার নিয়ে কারসাজি করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৩৫০ টাকা দামের ইউরিয়া এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকায় এবং নির্ধারিত এক হাজার ৫০ টাকা দামের ডিএপি একই দামে বা তারও বেশি দামে কৃষকদের কিনতে হচ্ছে। অতিরিক্ত দাম নেয়ার পর অনেক ক্ষেত্রেই রসিদ দেয়া হচ্ছে না। স্থানীয় প্রশাসনও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রংপুরের কাউনিয়া-পীরগাছাসহ কৃষিপ্রধান এলাকায় ভরা মৌসুমে কৃষকদের ডিলারের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও ন্যায্যমূল্যে সার না পাওয়ার কথা সংসদে তুলে ধরেন আখতার হোসেন। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, কৃষক ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন এবং এর প্রভাব খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

গুদামে ১৩ লাখ টন, মাঠে সঙ্কট কেন?

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বর্তমানে সরকারি গুদামে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন সার মজুদ রয়েছে। গত বছর একই সময়ে মজুদ ছিল প্রায় ১২ লাখ টন। এর বাইরে প্রায় চার লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টন সার পথে রয়েছে। তিনি বলেন, দেশে সারের সঙ্কট নেই। তবে একটি সংঘবদ্ধ দল কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা করছে। গত কয়েক দিনে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং আগামী দিনে আরো নিয়ন্ত্রণে আসবে।

তবে আখতার হোসেন প্রশ্ন রাখেন, গুদামে সার থাকার পরও কৃষক কেন সার পাচ্ছেন না? রংপুর, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের মতো কৃষিপ্রধান জেলায় মাঠে বাস্তব সঙ্কট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। গত ২৩ আগস্ট কুড়িগ্রামে ডিলারের গুদাম থেকে কৃষকদের সার নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাও সংসদে তুলে ধরেন তিনি।

রংপুরের বরাদ্দ নিয়ে দুই তথ্য

মাঠপর্যায়ের সঙ্কট বোঝাতে রংপুরের সার বরাদ্দের তথ্য তুলে ধরেন আখতার হোসেন। তার দাবি, গত অর্থবছরের আগস্টে রংপুরে ১০ হাজার ৫৯০ টন সার বরাদ্দ ছিল। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে বরাদ্দ হয়েছে এক হাজার ৮৪৭ টন। তবে এ তথ্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, রংপুরে ইউরিয়ার ক্ষেত্রে গত বছরের আগস্টে এক হাজার ৫৯০ টনের বিপরীতে চলতি বছর এক হাজার ৮৪৭ টন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। টিএসপির বরাদ্দও গত বছরের এক হাজার ৮২ টনের বিপরীতে চলতি বছর এক হাজার ৮১০ টন হয়েছে। ডিএপি ও এমওপির বরাদ্দও কমেনি বলে জানান তিনি।

মৃত ব্যক্তির নামেও ডিলারশিপ

সার বিতরণ ব্যবস্থার অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, মৃত ব্যক্তিদের নামে এখনো সার ডিলারশিপ থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। এমনকি এক ইউনিয়ন বা অন্য জেলার বাসিন্দা সার ডিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন- এমন অভিযোগও রয়েছে। বিভিন্ন অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত ডিলারদের তালিকা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধানের মিল ও চালের গুদাম থেকেও সার উদ্ধারের কথা জানান কৃষিমন্ত্রী। এসব ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার, কাউকে জরিমানা এবং কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নতুন নীতিমালা, বাড়ছে ডিলার

সার বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণসংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। নতুন নীতিমালায় প্রতি ইউনিয়ন বা পৌরসভায় তিনজন মাস্টার ডিলার রাখার বিধান করা হয়েছে। বর্তমানে বিএডিসি ও বিসিআইসির দু’জন মাস্টার ডিলারের (মূল ডিলার) পাশাপাশি নতুন করে আরো একজন মাস্টার ডিলার নিয়োগ দেয়া হবে। নতুন ডিলার নিয়োগে উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে কৃষক প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তবে আখতার হোসেন বলেন, নতুন ডিলার নিয়োগের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কৃষক মাঠে কত দামে এবং কত সহজে সার পাচ্ছেন তা নিশ্চিত করা। উপজেলা ভিত্তিতে সার বরাদ্দ, উত্তোলন ও বিক্রির তথ্য প্রকাশ এবং ডিজিটাল কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থায় সরাসরি কৃষকের হাতে ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

গ্যাস সঙ্কটে সার উৎপাদনেও শঙ্কা

সংসদে সারের আমদানিনির্ভরতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। আখতার হোসেন বলেন, দেশের মোট সারের চাহিদার মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশ দেশে উৎপাদন করা সম্ভব। গ্যাস সঙ্কটের কারণে দেশের সার কারখানাগুলোও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে দেশীয় সার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সাথে সার আমদানিনির্ভরতা কমাতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

অন্য দিকে কৃষিমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, বর্তমানে দেশে সারের কোনো সঙ্কট নেই। আমদানি অব্যাহত রয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ

এদিকে, দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সঙ্কটের জন্য সংসদে দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বর্তমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সঙ্কটের কারণে দেশের মানুষ কষ্টে আছে। এই পরিস্থিতির পেছনে বিগত দেড় যুগের ‘ভুল নীতি’ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের আকস্মিক অস্থিরতা দায়ী।

গতকাল স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো: নুরুল ইসলাম বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গত ৯ আগস্ট দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল তিন হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। তার দাবি, এটি শুধু চলতি বছরের সর্বোচ্চ ঘাটতি নয়, গত ৫৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এই ঘাটতি পূরণে সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ এবং তিন হাজার ৭০০ থেকে চার হাজার মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কবে বাস্তবায়ন হবে- তা জানতে চান তিনি।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নিছক কথামালার আড়ালে প্রকৃত সত্যকে লুকাতে চাই না।’ বর্তমানে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের কারণে বাংলাদেশের মানুষ কষ্টে আছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।

বন্ধ দুই ইউনিট, কমেছে বিদ্যুৎ আমদানি

প্রতিমন্ত্রী জানান, পায়রা ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬১৬ মেগাওয়াট করে দু’টি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া আগের চুক্তি অনুযায়ী আদানির কাছ থেকে এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে দিনে ৯০০ এবং রাতে এক হাজার ১০০ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছে।

এর মধ্যে গত ২১ জুলাই আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহকারী দু’টি এফএসআরইউর একটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। তবে বর্তমানে সঙ্কটের প্রায় ৮৮ শতাংশ সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য শুধু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বাংলাদেশের জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে গ্যাস নেই :

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এই সক্ষমতা কাজে লাগাতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না। বর্তমানে দৈনিক দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে পুরো গ্যাস দিলে শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সার্বিক অর্থনীতি সচল রাখতে শিল্প, বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালি- এই তিন খাতের মধ্যে বাধ্য হয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে।

ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ, ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

বিদ্যুৎ সঙ্কট সামাল দিতে ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তার দাবি, বিগত সরকার এসব কেন্দ্রের মালিকদের প্রায় ৪৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বকেয়া রেখে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সঙ্কট মোকাবেলায় দ্রুত ছয় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যাতে তারা জ্বালানি আমদানি করে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারে।

তিনি আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আরেকটি এফএসআরইউ স্থাপনের চুক্তি বাতিল না হলে বর্তমান পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না। বর্তমান সরকার শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের চাহিদা পূরণে দ্রুত নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে এটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির লক্ষণীয় উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগস্টের বিদ্যুৎ সঙ্কটের কষ্ট যেন সেপ্টেম্বরে পুনরাবৃত্তি না হয়, সে জন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

নতুন রুফটপ সোলার নীতি এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সমন্বিত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সঙ্কটজনিত এমন কষ্ট আর হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার পর দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনের জন্য সংসদ সদস্যসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।