নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা ও ৪ মাসের সময়সীমা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

Printed Edition

রয়টার্স

ইসরাইলকে ‘সেবা করার’ পদক্ষেপ অখ্যায়িত করে লেবানন সরকারের দেশব্যাপী নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ। জাতিসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের সাথে হওয়া হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এর দ্বিতীয় ধাপ শুরু করতে দেশব্যাপী নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সেনাবাহিনীকে অন্তত চার মাস সময় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লেবানন সরকার। কিন্তু গত মঙ্গলবার হিজবুল্লাহ এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে।

২০২৫ এর অগাস্টে লেবাননের মন্ত্রিসভা দেশের সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্ত্রশস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য সেনাবাহিনীকে এক পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়ন শুরু করার দায়িত্ব দেয়। ২০২৪ সালে ইসরাইলের সাথে যুদ্ধে বিধ্বস্ত হয়ে পড়া হিজবুল্লাকে নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়।

এরপর সেনাবাহিনীর তৈরি করা নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনার রূপরেখা সেপ্টেম্বরে অনুমোদন করে লেবাননের মন্ত্রিসভা। কিন্তু ওই রূপরেখায় সেনাবাহিনী কোনো পরিষ্কার সময়সীমা উল্লেখ করেনি আর সামরিক বাহিনীর সীমিত সামর্থ্য আর চলমান ইসরাইলি হামলার মধ্যে অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করেছিল। সোমবার এক বক্তব্যে হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নায়িম কাসেম বলেছেন, ‘লেবানন সরকার নিরস্ত্রীকরণে মনোযোগ দেয়ার মাধ্যমে যা করছে তা একটি গুরুতর ভুল, কারণ এই বিষয়টি ইসরাইলি আগ্রাসনের লক্ষ্য পূরণ করছে।’