দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার ঘোষণা তারেক রহমানের

জনগণের অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র আবারো শুরু হয়েছে

Printed Edition
fist-2
চট্টগ্রামের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান : নয়া দিগন্ত

বিশেষ সংবাদদাতা চট্টগ্রাম

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীতে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি ঠেকানো হবে। দুর্নীতিবাজদের টুঁটি চেপে ধরা হবে। দলের কেউ সন্ত্রাস করলে তাকেও ছাড় দেবে না বিএনপি। তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৫ বছর যেমন আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল সেই রকম একটি ষড়যন্ত্র আবারো শুরু হয়েছে। আপনাদের প্রতি আমার আহ্বান, এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাই সজাগ থাকবেন, সতর্ক থাকবেন। কেউ যাতে জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বেঁচে থাকার অধিকার ছিনিয়ে নিতে না পারে সে বিষয়ে আহ্বান জানান তিনি।

গতকাল রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনেরা ক্যান আছেন (আপনারা কেমন আছেন)?’

নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়া, বিএনপি নেতা সরওয়ার জামাল নিজাম, সাঈদ আল নোমান, এস এম ফজলুল হক, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আসলাম চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, নগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ প্রমুখ। জনসভা সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা দূর করতে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। এটি দেশের নিরাপত্তা, জীবনমান এবং কৃষি-অর্থনীতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষকে একত্রিত হতে হবে।

এর আগে কঠোর নিরাপত্তায় বেলা সোয়া ১২টায় তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। এ সময় করতালিতে সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে। বিএনপির চেয়ারম্যান হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দু’টি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। এটা যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ না করি, তাহলে আমাদের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। অতীতে প্রমাণ হয়েছে, একমাত্র যে বিষয়টি বিএনপির পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, সেটি হলো দুর্নীতি। যেকোনো মূল্যে আগামীতে বিএনপির সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে। অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এ দেশের মানুষের কাছে এই দু’টি বিষয়ই আমাদের কমিটমেন্ট।

তারেক রহমান বলেন, এই দু’টি বিষয়ে কঠোরভাবে নজর দিতে হবে। এই দু’টি বিষয় বাংলাদেশের মানুষকে বহু কিছু থেকে বঞ্চিত করেছে। এই দু’টি বিষয় নিয়ন্ত্রণে একমাত্র বিএনপিই যে সফলভাবে পারে, তা বিএনপি অতীতে প্রমাণ করে দেখিয়েছে।

বিএনপি সরকারে আসলে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী করার উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, এ অঞ্চলে মানুষের একটি বড় দাবি আছে, যেটির উদ্যোগ বিএনপি সরকার গ্রহণ করেছিল, কিন্তু সময়ের অভাবে সম্পূর্ণ করে দিতে পারেনি। আমরা দেখেছি গত ১৫ বছর এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এই উদ্যোগ নেয়া হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষের কর্মসংস্থান গড়ে উঠবে। সেই উদ্যোগটি হচ্ছে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’।

ইনশাআল্লাহ আগামী নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে বেগম খালেদা জিয়ার সেই ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ করার উদ্যোগ যত দ্রুত সম্ভব বিএনপি বাস্তবায়ন করবে।

চট্টগ্রামসহ সারা দেশের জলাবদ্ধতার সমস্যা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমরা সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে সমগ্র বাংলাদেশে খালকাটা কর্মসূচি চালু করতে চাই। ইনশাআল্লাহ আমরা দু’হাতে কোদাল দিয়ে খালখনন শুরু করব, যাতে করে জলাবদ্ধতার বড় সমস্যা দূর করা যায়।

চট্টগ্রামের সাথে গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আবার এই মাটিতেই তিনি শহীদ হয়েছেন। এই চট্টগ্রামেই খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের সাথে আমার এবং আমার পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে মানুষের কোনো লাভ হবে? তাতে কারও পেট ভরবে না, কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন আপনাদের কাছে আমার প্রত্যাশা- কখন যাবেন ভোট দিতে? এবার ফজরে গেলে হবে না। এবার তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার জন্য উঠতে হবে। তাহাজ্জুদ নামাজ পড়বেন এবং যার যে ভোটকেন্দ্র, ভোটকেন্দ্রের সামনে গিয়ে ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করবেন। তারপর লাইন দিয়ে ভোট দেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে যাবেন, যখনই ভোটকেন্দ্র খুলবে।

অন্য এক তারেক রহমান : বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতঃপূর্বে সিলেটের জনসভাসহ বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতাকালে প্রতিদ্বন্দ্বীদলের তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন। কিন্তু গতকাল চট্টগ্রামের সমাবেশে তারেক রহমান ছিলেন একেবারেই ব্যতিক্রম। তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে মানুষের কোনো লাভ হবে? তাতে কারো পেট ভরবে না, কারো লাভ হবে না।

ভিডিও ধারণের সময় পড়ে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী সমাবেশকে কেন্দ্র করে মিছিলের ভিডিও ধারণ করার সময় সড়কে পড়ে গিয়ে সাইদুল ইসলাম চিশতী (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সমাবেশের দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন হল টোয়েন্টিফোরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চিশতী নগরীর এনায়েত বাজার ডায়াবেটিক হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার নজরুল ইসলাম বাবুর ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্র জানায়, হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি কর্মসূচি উপলক্ষে কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্টেডিয়াম গেট এলাকায় অবস্থান নেন। সেখান থেকে তারা পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিতে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মালেক বলেন, মিছিল চলাকালে চিশতী মোবাইলফোনে ভিডিও ধারণ করছিল। এ সময় হঠাৎ পেছন দিকে ঘুরে সে সড়কে পড়ে যায়। পড়ে যাওয়ার পরপরই তাকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমার পরিকল্পনা আছে, বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা চাই

ফেনী অফিস জানায়, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলা যায়। তাতে জনগণের লাভ হবে না। জনগণের লাভ হবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড পেলে। দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হলে। দেশে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসলে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হবে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। পরিবর্তন হলে ধীরে ধীরে সমস্যা কমে যাবে। ধানের শীষ নির্বাচিত হলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। তিনি বৃহত্তর নোয়াখালীর ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিল না। আপনাদের কাছে আজ তাদেরকে রেখে গেলাম। ভোট দিয়ে তাদেরকে নির্বাচিত করুন। তাদের কাছে নিজেদের সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারবেন। আপনাদের সমস্যা তাদেরকে জানাবেন, তারা সমাধান করতে দায়বদ্ধ থাকবেন।

তিনি আরো বলেন, বহু বছর পর ফেনীতে এসেছি। ফেনী তথা বৃহত্তর নোয়াখালী সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক। বিএনপির কাছে যেমন আপনাদের দাবি আছে, আপনাদের কাছেও বিএনপির দাবি আছে। কিসের দাবি, সে দাবি ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা। আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের জন্য। স্বাভাবিকভাবে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পরিকল্পনা থাকতে হবে। জনগণই হচ্ছে বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। ১৭ বছর পর স্বৈরাচারের পতনের পর দেশে এসেছি। তখন কিছু পরিকল্পনা করেছি। নারী সমাজ, গ্রামাঞ্চলের খেটে খাওয়া নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেয়া। কেউ কেউ বলছে এ সহযোগিতা চলবে কি না। কৃষক ভাইদের কৃষক কার্ড দিতে চাই। সার, কীটনাশক ও বীজ সরাসরি পৌঁছে দিতে চাই।

তিনি গতকাল রোববার বিকেলে ফেনী জেলা বিএনপির আয়োজনে শহরের সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-১ আসনের প্রার্থী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের প্রার্থী চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন নোয়াখালীর প্রার্থীদের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নাল আবদীন ফারুক ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুরের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আশরাফ উদ্দিন নিজান ও শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহপ্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার রানু, সহগ্রাম সরকার সম্পাদক বেলাল আহমেদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল লতিফ জনি, জালাল উদ্দিন মজুমদার, মামুনুর রশিদ মামুন, অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান, শাহেনা আক্তার শানু, আবু তালেব ও মশিউর রহমান বিপ্লব, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াছিন আলী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলমগরীর আলো, লক্ষ্মীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবু, ফেনী জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ খালেক, গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক ও আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদর উপজেলা সভাপতি ফজলুর রহমান বকুল প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারম্যান আরো বলেন ইনশা আল্লাহ ফেনীতে মেডিক্যাল কলেজ করবো। গ্রামের মানুষ যাতে চিকিৎসা সুবিধা পায় সেজন্য সারা দেশে গ্রামে গ্রামে হেলথ কেয়ার দিতে চাই। সমাজে বহু তরুণ যুবকের চাকরি-বাকরি, কর্মসংস্থান নাই। কর্মসংস্থান করতে চাই। ফেনী অঞ্চলে ইপিজেড করতে চাই। যাতে ফেনী এলাকার মানুষ চাকরি করতে পারে।