কঙ্গোতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর শান্তিরক্ষা কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত এভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট ইউনিট কন্টিনজেন্টের মোট ৬২ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন করছে।

গতকাল আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে কঙ্গোতে অবস্থানরত কন্টিনজেন্টটি নতুন কন্টিনজেন্ট দ্বারা প্রতিস্থাপনের অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর ৩৫ জন সদস্য জাতিসঙ্ঘের ভাড়াকৃত একটি বিমানে (ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স) গতকাল রোববার কঙ্গোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। নতুন কন্টিনজেন্টের অবশিষ্ট ২৭ জন বিমানবাহিনীর সদস্য জাতিসঙ্ঘের ভাড়াকৃত একটি বিমানে (ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স) আগামী ২ ফেব্রুয়ারি কঙ্গোর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ সেলিম জাভেদ।

উল্লেখ্য যে, কঙ্গোতে বিবাদমান সঙ্ঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার এবং জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুণœ রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরো উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারেন, এ কামনা করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এক মুনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে তাদেরকে বিদায় জানান।

গত ২০ জানুয়ারি তারিখে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন কঙ্গোগামী এভিয়েশন ট্রান্সপোর্ট ইউনিট-১৫ কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশে বিমানবাহিনী সদর দফতরে ব্রিফিং প্রদান করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তিনি জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদেরকে শৃঙ্খলা, সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহ্বান জানান।