লজ্জার রেকর্ডও গড়েছেন মেসি
Printed Edition
আর্জেন্টিনার পেনাল্টি কিক মানেই লিওনেল মেসির শট। এ পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারে ১১৪ গোল করেছেন এই স্পট কিক থেকে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তার পেনাল্টিতে গোল ২৫টি। বার্সেলোনার হয়ে ৮২ গোল, পিএসজির হয়ে ২ গোল এবং ইন্টার মিয়ামির জার্সিতে করেছেন ৮ গোল। এই স্পট কিকে গোল যেমন করেছেন তেমনি মিসও করেছেন। এই পেনাল্টি মিস কম নয়। ক্যারিয়ারে মোট ১৪৭ বার পেনাল্টি শট নিয়েছেন। ১১৪ গোলের বিপরীতে বাকিগুলো মিস। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ৩১টি শটের মধ্যে তার গোল ২৫টি। অর্থাৎ মিস করেছেন ৬টি।
এই ছয় মিসের মধ্যে বিশ্বকাপেই তার পেনাল্টি মিসের সংখ্যা চারটি। এটি যেমন রেকর্ড তেমনি এক আসরে দুই পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ হয়েও গড়েছেন আরেক রেকর্ড। এবারের ২০২৬ মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা বিশ্বকাপে তার দুই পেনাল্টি মিসের একটি হয়েছিল অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে। আর পরেরটি গত পরশু মিসরের বিপক্ষে। দুই দলের গোলরক্ষকই আটকে দিয়েছেন তার শট।
আর্জেন্টাইন এই অধিনায়কের বিশ্বকাপে চার পেনাল্টি মিসের ঘটনা টানা তিন আসরে। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে, ২০২২ বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের বিপক্ষে এই স্পট কিকে গোল করতে পারেননি।
শুধু পেনাল্টি মিসের রেকর্ডই নয়। মেসির মতো কোনো ফুটবলার বিশ্বকাপে আটটি পেনাল্টি শট নেননি- মানে এটিও একটি রেকর্ড।
বিশ্বকাপে মেসির গর্বের রেকর্ড তো আছেই। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২১ গোল করে সবার ওপরে আছেন। এই আসরে টানা ম্যাচে ৯টি গোল করেও নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। টানা ছয় বিশ্বকাপ খেলা প্রথম ফুটবলার হওয়ার কীর্তি তো আলজেরিয়ার বিপক্ষেই করেছেন। ওই ম্যাচেই উত্তর আফ্রিকার মুসলিম দেশটির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে ম্যাচে তিন গোল করার রেকর্ড গড়েছেন।
বিশ্বকাপে ৬টি গোলের জোগানদাতা (অ্যাসিস্ট) হয়েও করেছের রেকর্ড। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৩১টি ম্যাচ খেলা ফুটবলার তিনি। ১৪ বার ম্যাচ সেরা হয়ে এবং ২০১৪ ও ২০২২ সালে গোল্ডেন বল জিতে মালিক আরেক রেকর্ডের।