এক শতক পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের মুখ

Printed Edition
onno-2
এক শতক পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের মুখ

বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিসংবলিত এক ডলারের স্মারক মুদ্রা উন্মোচন করেছে দেশটির টাঁকশাল (ইউএস মিন্ট)। বিগত ১০০ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম কোনো জীবিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিকৃতি দেশটির মুদ্রায় স্থান পেল।

বিশেষ নকশার এই সোনালি রঙের স্মারক মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবির পাশাপাশি ‘লিবার্টি’ এবং ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’ বাণী খোদাই করা রয়েছে। ইউএস মিন্ট জানিয়েছে, দেশের চেতনা, গর্ব ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে এটি স্বর্ণের তৈরি নয়; এতে শতকরা ৮৮ ভাগের বেশি তামা এবং অবশিষ্ট অংশে দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ ও নিকেল ব্যবহৃত হয়েছে। বুধবার টাঁকশালের ওয়েবসাইটে ২৫টি মুদ্রার রোল ৬১ ডলার এবং ১০০টি মুদ্রার ব্যাগ ১৫৪ ডলার ৫০ সেন্ট মূল্যে বিক্রির জন্য তোলা হয়। এ ছাড়া ওয়াশিংটন ডিসিতে টাঁকশালের বিক্রয়কেন্দ্রের ভেন্ডিং মেশিনেও এগুলো পাওয়া যাচ্ছিল। তবে চালুর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব মুদ্রা বিক্রি হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে বিবিসি ইউএস মিন্ট, ট্রেজারি বিভাগ ও হোয়াইট হাউজের কাছে মন্তব্য চেয়ে যোগাযোগ করেছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুসারে জীবিত কোনো ব্যক্তির ছবি মুদ্রায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। তবে ট্রাম্প সমর্থক আইনপ্রণেতারা এই নীতি শিথিলে কংগ্রেসে একটি বিল উত্থাপন করলেও তা বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গত মে মাসে ২৫০ ডলারের নতুন নোটে ট্রাম্পের ছবি যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানোর পাশাপাশি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এর আগে ১৯২৬ সালে দেশের ১৫০তম বার্ষিকীতে ৫০ সেন্টের মুদ্রায় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজের ছবি ব্যবহৃত হয়েছিল। এ ছাড়া ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে অনুমোদিত ‘সার্কুলেটিং কালেক্টিবল কয়েন রিডিজাইন অ্যাক্ট’-এর বিষয়টিও এই প্রসঙ্গে তুলে ধরেছে প্রশাসন।

হরমুজ প্রণালীর নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালী’ রাখার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ইরানের সাথে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালী’র নাম বদলে নিজ নামে করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, এই প্রণালীটি এখন সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি লেখেন, ‘যেহেতু হরমুজ প্রণালী এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে, তাই এর নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালী’ রাখা উচিত কি না?’