ব্যতিক্রম রতাই
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
জাপানে হবে এশিয়ান গেমসের এবারের আসর। অনেকের জিভে জল, ব্যতিক্রমও আছে। ক’দিন আগে দুই কুস্তিগীর জানিয়েছেন বিদেশে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বড় টেনশান কাজ করছে আমরা কতটুকু দিতে পারব। সাবেক রাইফেল শুটার ও শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক শারমিন আক্তার রতাকে করা হয়েছে পিস্তল কোচ। রতা জানালেন, তার জাপানে যাওয়ার কোনো ইচ্ছাই ছিল না। ফেডারেশন জোর করেই তাকে পাঠাচ্ছে। ‘আমি জাপান যেতে চাইনি, দলের সাথে টেকনিক্যাল ব্যক্তি যাওয়া দরকার। এ ছাড়া আমাদের সেখানে গিয়ে কোচও পরখ করতে হবে। সব মিলিয়ে ফেডারেশন চাইছে আমি যেন যাই। তারা নাছোড়বান্দা। তাই শুটিংয়ের বৃহত্তর স্বার্থে আমাকে যেতে হচ্ছে।’
জাপানের আইচি-নাগোয়ায় ১৯ সেপ্টেম্বর শুরু হবে ২০তম এশিয়ান গেমস। এশিয়ার সবচেয়ে বড় এই আসরে বাংলাদেশ অংশ নেবে ২২টি ডিসিপ্লিনে। আরচারি, অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, সাইক্লিং, ফেন্সিং, ফুটবল, হকি, কাবাডি, কারাতে, টেবিল টেনিস, সাঁতার, সার্ফিং, শুটিং, ভারোত্তোলন, কুস্তি, উশু, গলফ, জিমন্যাস্টিকস, জুডো ও বিচ ভলিবল- সব মিলিয়ে খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা মিলিয়ে ২৯০ জনের বিশাল বহর। মজার ব্যাপার হচ্ছে এদের মাঝে কেউ কেউ কোচের পরিচয়েও যাচ্ছেন। জাপানগামী বহরের সরকারি আদেশের (জিও) তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে, কয়েকজন ক্রীড়া কর্মকর্তাকে কোচ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের কারো কারো সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনে কোচিং অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
হকি পুরুষ দলের কোচ হিসেবে তালিকায় নাম এসেছে হকি ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক ফুটবলার মিজানুর রহমান ডনের। বাহফে যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান প্রিন্সের দাবি, ভুলবশত তাকে কোচ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি যাবেন সহকারী ম্যানেজার হিসেবে। বিতর্ক আছে আরো কয়েকটি ডিসিপ্লিনে। জিও তালিকায় ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান, জুডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নয়না চৌধুরী ও উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হাসান দিলু, টিটি ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সদস্য মোহসিনুল আলমকেও দেখানো হয়েছে কোচ হিসেবে। অথচ জাতীয় টিটি দলের অভিজ্ঞ কোচ মোহাম্মদ আলী। সার্ফিংয়ের মূল কোচ রাশেদকে বাদ দিয়ে কোচ পরিচয়ে যাচ্ছেন কোষাধ্যক্ষ সাইফুল্লাহ সিফাত।