ঢামেক হাসপাতাল আধুনিকায়নসহ ১০ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

Printed Edition

বিশেষ সংবাদদাতা

বর্তমানে দেশে দেড় মাসের জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। সরকার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এটিকে ছয় মাসে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, এটি দ্রুতই তিন মাস করা হবে। আর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আধুনিকায়নসহ মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে একনেকে। এতে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা। এখানে ৬টি নতুন এবং ৪টি সংশোধিত প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

শেরেবাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এসইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী এবং একনেকে চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই একনেক সভায় প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেয়া হয়। তিনি বলেন, প্রকল্প ব্যয়ের ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন আটি হাজার ৪৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৯৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে বয়লার বা কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এটি সমাধান হয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী আমাদের নেই। এর সমাধানে সরকার গ্যাস উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে যাচ্ছে। সরকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সঙ্কট দূর করতে আমরা কাজ করছি। সাময়িক সঙ্কট তৈরি হয়েছে, এটা দূর করা হচ্ছে। প্রয়োজন মেটাতে আমরা গ্যাস আমদানি করছি। তবে গ্যাস আমদানি করলেই হবে না, এলএনজি স্টেশনও লাগবে। এটি বসাতেও সময় লাগবে।

তিনি বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ডিএমসি) সম্প্রসারণ, উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। বর্তমান একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলগুলো মেরামতের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীলতার সুযোগ বাড়াতে একাডেমিক ভবন, হোস্টেল, লেকচার থিয়েটার, এক্সাম হল, প্রার্থনা কক্ষ ও অডিটোরিয়ামসহ আধুনিক সব সুবিধা রাখা হবে। এসব সুবিধা নিশ্চিত করে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে স্থাপত্য অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে।