জাভেদ স্মরণে সোহেল রানা

Printed Edition
bino-3
জাভেদ স্মরণে সোহেল রানা

বিনোদন প্রতিবেদক

‘তিনি ছিলেন পাকিস্তানি, কিন্তু এই দেশকে ভালোবাসতেন’

বন্ধু জাভেদের প্রস্থানে অনেকটাই ভেঙে পড়েছেন নায়ক-প্রযোজক সোহেল রানা। মৃত্যুর খবর পেয়ে বন্ধুকে নিয়ে হলেন স্মৃতিকাতর। জাভেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরেণ্য এই অভিনেতা ও প্রযোজক। প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর শোকবার্তায় সোহেল রানা বলেন, ‘জাভেদ আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। তিনি আমার বহু ছবির নৃত্যপরিচালক ছিলেন, এমনকি আমার একটি ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন।’ ব্যক্তি জাভেদ প্রসঙ্গে রানা বলেন, ‘তিনি (জাভেদ) ছিলেন একজন পাকিস্তানি, কিন্তু এই দেশকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত এই দেশের মানুষ ও শিল্পকে ভালোবেসে গেছেন। শান্তিতে ঘুমাও বন্ধু, তোমাকে আমি কখনো ভুলব না।’ দীর্ঘদিন ক্যানসারের সাথে লড়াই করে ২১ জানুয়ারি সকালে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নৃত্যপরিচালক ইলিয়াস জাভেদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন ইলিয়াস জাভেদ। তবে ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমার পর দর্শক মহলে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন নৃত্যপরিচালক। তার প্রকৃত নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবে শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। জাভেদের উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশোয়ারে জন্ম নেওয়া ইলিয়াস জাভেদ পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে যান। ১৯৮৪ সালে তিনি চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।