ই ন্দো নে শি য়া র রূ প ক থা
সাগরকন্যার অ্যাডভেঞ্চার
ভাষান্তর : শেখ আবদুল্লাহ নূর
Printed Edition
(গত দিনের পর)
আবার সে বলা শুরু করে, ‘মনে রেখো তৃতীয় দিন সূর্য ডুবে যাবার পর তোমার পা আবার লেজে পরিণত হবে। তোমাকে আবার জলপরী হয়ে ফিরে আসতে হবে সাগরে। তবে এবার তুমি আর তোমার প্রাসাদে ফিরে যেতে পারবে না। রাজকুমারের মন জয়ে ব্যর্থ হওয়ায় তুমি চিরকালের জন্য আমার দাসী হয়ে যাবে! এই অন্ধকার গুহায় আমাকে সেবা করে বাকিটা জীবন কাঁদতে হবে তোমার।’
জল-ডাইনির এমন শর্ত শুনে মেরিন্তারা এক মুহূর্তের জন্য দ্বিধায় পড়ে যায়। ‘আমার কণ্ঠস্বর বন্ধক রাখতে হবে! এই কণ্ঠস্বর দিয়েই তো আমি রাজকুমারকে বাঁচিয়েছিলাম। এই কণ্ঠস্বর দিয়েই তো আমি এখনো আমার বাবাকে গান শুনাই। আমার এই কণ্ঠস্বরই নিয়ে নিবে ডাইনি আন্দ্রারিণী!’ দ্বিধায় পড়ে যায় মেরিন্তারা। কী করবে সে এখন? কণ্ঠস্বর ছাড়া ডাঙার রাজকুমারের মন জয় করতে পারবে সে?
কিন্তু! মেরিন্তারার চোখের সামনে আন্দ্রারিণীর সেই ক্রিস্টাল বলের গায়ে ভেসে ওঠে রাজকুমারের মুখ; আবার ভেসে ওঠে। কী করুণ সেই মুখ, কী পবিত্র! এখন যে মেরিন্তারার হাতে আর কোনো বিকল্প নেই।
- (চলবে)