প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের কাছে খেলোয়াড়দের প্রত্যাশা

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অন্যতম তারকা জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। ২০০১ সালে সৌ আরবের লিগে যার খেলার অফার এসেছিল। সেবার বিশ^কাপ বাছাই পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদেই সেই প্রস্তাব পাওয়া। যদিও তখনকার বাফুফে কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতায় সৌদি লিগে খেলা হয়নি আমিনুলের। এই অভিযোগ করেছিলেন জাতীয় দলের সাবেক এবং প্রয়াত কোচ জর্জ কোটান। বাংলাদেশকে ২০০৩ সালের সাফ শিরোপা এবং ২০১০ সালের এস এ গেমসে স্বর্ণ এনে দেয়া সেই আমিনুল এখন দেশের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মাঠের মানুষ, খেলাধুলার সমস্যাগুলো জানেন। ফলে আমিনুলের পক্ষে সম্ভব হবে ক্রীড়াঙ্গনকে সামনে এগিয়ে নেয়াটা। এমনটাই আশা সাবেক ফুটবলার অমিত খান শুভ্র, সাবেক হকি খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম কামাল ও প্রাক্তন ক্রিকেটার জাভেদ ওমর বেলিম গুল্লুর।

এই শতাব্দীতে জাতীয় ফুটবল দলের দ্বিতীয় সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন আমিনুল। এর আগে হাসিনা সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক আরিফ খান জয়। জয়ের ছোট ভাই অমিত খান শুভ্র। জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় শুভ্রের মতে, আমিনুল মাঠের ছেলে। দীর্ঘ দিন ফুটবল খেলেছেন। ফুটবল উন্নয়নের বাধাগুলো জানেন। আশা করি ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সফলভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

বাংলাদেশের হকির সাবেক বড় তারকা রফিকুল ইসলাম কামাল। আমিনুলের সাথে তার দীর্ঘ দিনের ভালো সম্পর্ক। তাই কামালের চাওয়া, খুবই ভালো লাগছে যে মাঠে ধুলাবালু গায়ে মাখা ব্যক্তিটি এখন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সে ক্রীড়াঙ্গনের সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত। তবে তার একার পক্ষে ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে না। তাই তাকে বিভিন্ন পদে দক্ষ ও অভিজ্ঞদের বসাতে হবে। সে সাথে ক্রীড়াঙ্গনের সব কাজ মনিটরিং করতে হবে। টার্গেট সেট করে যদি এগুতে পারে তাহলে সফল হবে আমিনুল।’ জাভেদ ওমরের মতে, কাজ করতে পারলে অবশ্যই সফল হবে আমিনুল।

গতকাল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিস করেছেন আমিনুল। তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন কর্মকর্তারা।