জীবনে চলার পথে কোনটা ন্যায় ও কোনটা অন্যায়— এ-সংক্রান্ত বিশ্বাস হচ্ছে মূল্যবোধ। আজ থেকে ৮০ বছর আগে সমাজে ব্যক্তির মর্যাদা নির্ধারণে মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হতো শিক্ষা। পরবর্তী সময়ে শিক্ষার গুরুত্ব লোপ পেয়ে ক্ষমতা ও অর্থমর্যাদা নিরূপণে মাকাঠিতে পরিণত হয়।
ব্রিটিশ শাসনামলে এ দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার চাকরিকে সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন চাকরি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতনভাতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে যে অর্থ পেতেন, তা দিয়ে সাংসারিক সাকুল্য ব্যয় নির্বাহের পরও প্রচুর অর্থ অবশিষ্ট থাকত। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক পেশার বাইরে আর্থিক সংশ্লেষ আছে এমন কোনো কাজের সাথে যুক্ত হয়েছেন— এ ধরনের নজির পাওয়া যায় না।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর দেখা গেল সিএসপি নামধারী বেসামরিক আমলারা সর্বময় ক্ষমতাধারীরূপে আবির্ভূত হয়েছেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষককে শিক্ষকতার পেশা ত্যাগ করে সিএসপি নামধারী বেসামরিক আমলার পেশা গ্রহণে অধিকতর সচেষ্ট হতে দেখা যায় এবং এ পেশাতে আসতে পেরে অনেকে আত্মতৃপ্তিতে উদ্বেলিত হয়ে নিজেকে ধন্য মনে করতে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক শিক্ষকতার পেশা ছেড়ে বেসামরিক আমলা হিসেবে সিএসপির খাতায় নাম লিখিয়েছেন, এরা কেউই নিজেদের তৎকালের শিক্ষকদের নিষ্কলুষ ভাবমর্যাদা থেকে মুক্ত রাখতে পারেননি।
ইংরেজিতে একটি কথা আছে— অ্যাবসোলিউট পাওয়ার মেকস এ ম্যান অ্যাবসোলিউট করাপ্ট। যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়— সর্বময় ক্ষমতা একজন ব্যক্তিকে চরম দুর্নীতিগ্রস্তে পরিণত করে। সর্বময় ক্ষমতার কারণে তখন সিএসপিদের অনেককেই দেখা গেছে চাকরিতে প্রবেশের দু’বছরের মধ্যেই ২৫-২৬ বছর বয়সে সাব ডিভিশনাল অফিসার (এসডিও) হিসেবে মহকুমার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তারূপে এবং ৩০-৩২ বছর বয়সে ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) হিসেবে জেলার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তারূপে নিয়োগ লাভ করেছেন। চাকরির প্রারম্ভে উভয় ক্ষেত্রে নবীন কর্মকর্তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ায় এবং ওই নবীন কর্মকর্তার অপরাধ আমলে নেয়া-সহ সব বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব থাকায় এদের অনেকেই ক্ষমতার ভারে বেসামাল হয়ে পড়েন।
সিএসপিরা মেধা ও যোগ্যতার মাপকাঠিতে অন্য সব পেশার কর্মকর্তাদের চেয়ে উন্নত অবস্থানে ছিলেন, এ বিষয়ে তখন কোনো বিতর্ক ছিল না। সর্বময় ক্ষমতার কারণে সিএসপিদের অনেকেই নিজেদের লোভ ও প্রলোভনের ঊর্ধ্বে রাখতে পারেননি। এর ফলে দেখা গেল, এদের অনেকেই জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা থাকাকালীন অবস্থায় ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকা ধানমন্ডি ও গুলশানে এক বিঘা আয়তনের ভূমির ওপর সুরম্য অট্টালিকা নির্মাণের কাজে মনোনিবেশ করেছেন।
প্রতিটি সমাজেই কালে কালে যুগে যুগে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তি থাকে। এ ধরনের ব্যক্তিদের শত প্রতিকূলতার মুখে মূল্যবোধকে বিসর্জন দিতে দেখা যায় না। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কর্র্তৃত্ব, ক্ষমতা ও প্রভাব ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া ছাত্রদের দেখা গেল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে কাস্টমস ও পুলিশ বিভাগের চাকরিকে প্রশাসন বিভাগের চাকরির ওপর প্রাধান্য দিচ্ছেন। যদিও পাকিস্তান আমলে মহকুমা, জেলা, বিভাগ, প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ ছিল; কিন্তু এরপরও পুলিশ বিভাগের চাকরি কম লোভনীয় ছিল না।
পাকিস্তানের প্রথম দিকে পঞ্চাশের দশকে প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা যিনি ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম) হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেন, তার এক ছেলে সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিস (সিএসএস) পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ সার্ভিস প্রাপ্ত হলে তিনি ছেলেকে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিতে নিরুৎসাহিত করেন। পিতার উপদেশ অনুসরণ করে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান না করে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি নিতে যুক্তরাজ্যে চলে যান ছেলে। ডিগ্রি পাওয়ার পর দেশে ফিরে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের বিচারপতি, আইন সচিব ও প্রধান বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
পাকিস্তানের মাঝপর্যায়ে ষাটের দশকে একজন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকের ছেলে সিএসএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ সার্ভিস পেলে পিতা তাকে বলেন, তোমাকে পুলিশ হওয়ার জন্য পড়াশোনা করাইনি। তার এ ছেলে পরবর্তী বছর পুনঃসিএসএস পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন। সিএসপি হিসেবে চাকরি পেলে পিতা সন্তুষ্টচিত্তে চাকরিতে যোগ দিতে উৎসাহিত করেন। পরে তার এ ছেলে প্রশাসনের শীর্ষ পদ সরকারের সচিব হিসেবে চাকরিজীবন শেষ করেন।
পাকিস্তান আমলে একজন পিতা যে মূল্যবোধ লালন করতেন, বাংলাদেশ আবির্ভাবের পর দেখা গেল সে মূল্যবোধ হারিয়ে গেছে। নব্বইয়ের দশকে একদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এমন এক ব্যক্তির ছেলে পুলিশ সার্ভিস পেলে পিতা এত উৎফুল্ল হয়ে পড়েন যে, তিনি দু’টি গরু জবাই করে আত্মীয় ও গ্রামবাসীকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন।
ব্রিটিশ শাসনের প্রথমার্ধে জেলার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ডেপুটি কালেক্টর বলা হতো। পরে তাদেরকে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট বলা হতো। ব্রিটিশ শাসনে জেলায় দেওয়ানি মামলা বিচারে নিম্নতম পদধারী কর্মকর্তা ছিলেন মুন্সেফ এবং ফৌজদারি মামলা বিচারে নিম্নতম ছিলেন সহকারী কালেক্টর, যাদের অনেককে ম্যাজিস্ট্রেসিয়াল ক্ষমতা দেয়া হতো। ব্রিটিশ আমলে একজন মুন্সেফের প্রারম্ভিক বেতন ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগকারী একজন সহকারী কালেক্টরের চেয়ে ৫০ টাকা বেশি ছিল। তখন ৫০ টাকা দিয়ে আড়াই ভরি স্বর্ণ কেনা যেতো। সে বিবেচনায় ৫০ টাকার বর্তমান মূল্যমান পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। বর্তমানে বাংলাদেশে বিচার বিভাগের নিম্নতম পদধারী সহকারী জজ এবং প্রশাসনের নিম্নতম পদ সহকারী কমিশনাররা একই বেতন স্কেলভুক্ত।
এখনকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মনোবৃত্তি আজ থেকে তিন-চার যুগ আগের শিক্ষকদের মনোবৃত্তি থেকে ভিন্নতর। বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের খণ্ডকালীন শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত হওয়ায় তারা মূল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে পাঠদানের যে সময় ও শ্রমের প্রয়োজন তা দিতে পারছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষককে আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শকের কাজ করতেও দেখা যাচ্ছে। এতে মূল শিক্ষকতায় যে ব্যাঘাত ঘটছে, সে বিষয়ে তাদের মধ্যে কোনো ধরনের উৎকণ্ঠা দেখা যায় না।
আগে পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীর মেধাই প্রকৃত কারণ হিসেবে বিবেচিত হতো; কিন্তু এখন শিক্ষকের সাথে বিশেষ সম্পর্ক রেখে অনেককে ভালো ফল করতেও দেখা যায়। একবার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের বাসায় গিয়ে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে দেখা গেল। শিক্ষকের দরজায় কলিংবেল চাপ দিতেই গৃহকর্মী দরজা খুলে দিয়ে বলল— স্যার বাসায় নেই, কিছু এনে থাকলে রেখে যেতে বলেছেন। ছাত্রটি গ্রামের সাধারণ পরিবারের সন্তান। শিক্ষকের বাসায় কিছু নিয়ে যেতে হয়— এ বিষয়ে আগে তার ধারণা ছিল না। এই অভিজ্ঞতা অর্জনের পর ছাত্রটির বোধোদয় হলো, শিক্ষকের বাসায় কিছু নিয়ে গিয়ে তার সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে পারলে হয়তো পরীক্ষায় ভালো ফল করা যাবে। এর পর থেকে ওই শিক্ষকের বাসায় কখনো খালি হাতে যায়নি ওই শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় তার ফল হয়েছিল আশাতীত।
অতীতে বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ পরিবারের মেধাবী ছেলেমেয়েদের ভালো ফল করতে দেখা যেত; কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন কারণে দেখা যাচ্ছে, বিত্তবান ও সামাজিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছেলেমেয়েরা সাধারণ পরিবারের মেধাবীদের তুলনায় এগিয়ে থাকে। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক শিক্ষার্থীদের থেকে গুরুজনের প্রাপ্য শ্রদ্ধা পাচ্ছেন না।
সচরাচর অনেককে বলতে শোনা যায়— চাকরি করলে হয় ডিসির চাকরি করো নয় ওসির। বিচারিক ক্ষমতা না থাকায় ডিসি পদের আগের সেই জৌলুশ এখন অনেকটা ম্লান হয়ে গেছে, যদিও ওসি পদের কর্তৃত্ব আগের তুলনায় বর্তমানে আরো অনেক সুসংহত। ব্রিটিশ শাসন আমলে যেকোনো বিভাগের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের মধ্যে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি অচিন্তনীয় ছিল। তখন সব চাকরিজীবীর বেতনভাতা সুন্দর ও সাবলীল জীবন-যাপনের উপযোগী হলেও পুলিশের ওসি ও আদালতের পেশকারদের মধ্যে উৎকোচ গ্রহণের প্রবণতা দেখা যেত। সেটি এখনো আছে। তবে বর্তমানে প্রতিকার দিতে পারুক বা না পারুক, নানা কৌশল অবলম্বনে এবং অযাচিত বিপদে ফেলে উৎকোচ প্রদানে বাধ্য করা হয়।
যেসব ছাত্র ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও সশস্ত্রবাহিনীর কর্মকর্তা হতে ইচ্ছুক তাদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পেশা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। অপর দিকে যারা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ-শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেতে চায়, তাদেরকে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পেশার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
মেধাবী ছাত্ররাই পেশা হিসেবে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও সশস্ত্রবাহিনীর চাকরিকে বর্তমানে অধিক পছন্দ করেন। চাকরির বেতনভাতা এবং সুযোগ-সুবিধার বাইরে উপরি কিছু আছে কি না তা পেশা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইদানীং প্রধান বিবেচ্য হিসেবে কাজ করছে।
ডাক্তার হওয়ার আগে মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত একজন ছাত্রকে চিকিৎসা নীতিশাস্ত্র বিষয়ে পড়ানো হয়। সে পড়ার আলোকে অসহায় ও বিপন্ন মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার মহৎ ব্রত নিয়ে একজন ডাক্তার কর্মজীবনে প্রবেশ করেন; কিন্তু বাস্তবে আমরা আজ দেখতে পাই— ডাক্তারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তাদের নীতিশাস্ত্রের পঠিত মূল্যবোধ থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছেন। এমন অনেক ডাক্তার আছেন, যারা সরকারি চাকরিতে থাকার পরও ব্যক্তিগতভাবে রোগী দেখে ফি নিচ্ছেন। যেকোনো রোগী এলে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার নাম করে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন নিতে দ্বিধা করছেন না। এ ছাড়া অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তা না থাকা সত্ত্বেও রোগীর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অস্ত্রোপচার করে একশ্রেণীর ডাক্তারের পকেট ভারী করার কাহিনী এখন সর্বমহলে আলোচিত।
ইঞ্জিনিয়াররা কারিগরি বিষয়ে পারদর্শী হয়ে থাকেন। ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণিভেদ আছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় ইঞ্জিনিয়ারদের কারিগরি মন্তব্যের ওপর কন্ট্রাক্টরের বিল প্রাপ্তি নির্ভর করে। কন্ট্রাক্টরদের বিল থেকে পার্সেন্টেজ গ্রহণকে ইঞ্জিনিয়ারদের অনেকে কোনো ধরনের অন্যায় বলে ভাবেন না। পার্সেন্টেজ নেয়ায় কাজের নিম্নমানের জন্য তাদেরকে খুব কমই উৎকণ্ঠিত হতে দেখা যায়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্চপদস্থ এক প্রকৌশলীর পিতা পাকিস্তান আমলের ষাটের দশকের প্রথমার্ধে একবার গর্ব করে বলেছিলেন— আমার ছেলের অধীনে ১০০ কন্ট্রাক্টর আছে। তারা মাসে এক হাজার টাকা করে দিলে আমার ছেলের মাসিক আয় এক লাখ টাকা। তখন এক লাখ টাকার মূল্যমান বর্তমানে প্রায় আট কোটি টাকা।
লেখক : সাবেক জজ এবং সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক