কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের সব ধরনের বই-পুস্তক নিষিদ্ধের দাবিতে আগামী ১৫ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ’র উদ্যোগে দারুল উলূম মিরপুর জোন সভাটির আয়োজন করে।

ঢাকা মহানগর মিরপুর জোনের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে এবং জোন সেক্রেটারি মাওলানা নজিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘খতমে নবুওয়তের আকিদা ঈমানের মৌলিক ভিত্তি। কাদিয়ানীরা শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সা:-এর নবুওয়তকে অস্বীকার করে নিজেদের মুসলিম পরিচয় দিয়ে বিশ্বমুসলিমকে বিভ্রান্ত করছে। তাই তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের বিভ্রান্তিকর বই-পুস্তক বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করতে হবে। এ দাবি আদায়ে আগামী ১৫ আগস্টের জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনকে সফল করতে তাওহিদী জনতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।’

তিনি আরো বলেন, রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর হলরুম ইতোমধ্যে বুকিং সম্পন্ন হয়েছে এবং দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগামী ১৫ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে সম্মেলন শুরু হবে। তিনি সর্বস্তরের উলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনসাধারণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সম্মেলন সফল করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা সানাউল্লাহ বলেন, ‘খতমে নবুওয়ত রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ত্যাগ স্বীকারে আলেম সমাজ প্রস্তুত রয়েছে। ১৫ আগস্টের সম্মেলন সফল করতে মিরপুর জোনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে।’

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমাদ কাসেমী, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা রাশেদ বিন নূর এবং কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।

এ ছাড়া মিরপুর অঞ্চলের উলামায়ে কেরামের মধ্যে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা শাব্বীর আহমদ, মাওলানা আব্দুল সালাম, মাওলানা আব্দুল বাতেন কাসেমী, মাওলানা শফি উদ্দীন, মাওলানা ওমায়ের কোব্বাদি, মাওলানা মাহমুদুল হাসান আশরাফী, মাওলানা জাকির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা হিফজুর রহমান, মাওলানা মোস্তফা কামাল, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসঊদ খান, মাওলানা অলিউল্লাহ, মাওলানা সাঈদ আহমদ, মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মুফতি হিফজুর রহমান নোমানী, মুফতি মাহবুবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা হুসাইন আহমদ, মাওলানা আব্দুল হামিদ গাওহারী, মাওলানা এহতেশামুল হক সাকি, মাওলানা তানবিরুল ইসলাম, মাওলানা আহসান হাবিব, মাওলানা রফিকুল ইসলাম নূরানী, মুফতি নুরুল্লাহ কাসেমীসহ স্থানীয় বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম।