মুশফিকের সামনে রেকর্ডের হাতছানি

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল মুশফিকুর রহীমের। প্রথম ইনিংসে ৫৬ বলে ১৯ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ বলে তিন রানে আউট হয়েছিলেন। এরপর বহু পথ এগিয়ে এই সংস্করণে দুই দশকের বেশি সময় পার করে দিয়েছেন। বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ ম্যাচ, সর্বোচ্চ রান, সর্বোচ্চ গড় (অন্তত ৫ টেস্ট), সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি ও সর্বোচ্চ ডাবল সেঞ্চুরি সব রেকর্ডই তার দখলে। এবার একমাত্র টাইগার ব্যাটার হিসেবে ছয় হাজারি ক্লাব থেকে এবার সাত হাজার রান স্পর্শ করার হাতছানি তার সামনে। ম্যাকাই টেস্টে অন্তত একটি সেঞ্চুরি বা দুই ইনিংসেই ফিফটি করলেই আরো উঁচুতে পৌঁছাবেন মুশফিক।

লাল বলের ক্রিকেটে অভিজ্ঞ মুশফিকের রান ১০৪ ম্যাচের ১৯১ ইনিংসে ৬৮৪২। এই সংস্করণের সাত হাজারি ক্লাবে ঢুকতে তার দরকার আর ১৫৮ রান। ডারউইনে পাঁচ নম্বরে নেমে ৫৫ বল খেলে ৩৬ রানে আউট হন মুশফিক। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বলে সিøপে ক্যাচ নিয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ।

টেস্টে মুশফিকের গড় ৩৯.০৯। ১৪টি সেঞ্চুরির সাথে ২৯টি ফিফটি আছে এই ডান হাতি ব্যাটারের নামের পাশে। এর মধ্যে তিনটি আবার ডাবল সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ অপরাজিত ২১৯ রানের ইনিংস তিনি খেলেছিলেন ২০১৮ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। একই মাঠে একই প্রতিপক্ষের বিপরীতে ২০২০ সালেও দ্বিশতক হাঁকান তিনি। ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তিনি করেছিলেন ২০১৩ সালে গলে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

আর কোনো টাইগার ব্যাটারের ছয় হাজার রান নেই সাদা পোশাকের ক্রিকেটে। দুইয়ে থাকা বাঁ হাতি ব্যাটার মুমিনুল হক ৭৯ টেস্টের ১৪৭ ইনিংসে পাঁচ হাজার ২১০ রান করেছেন ৩৮.৩০ গড়ে। সাবেক ওপেনার ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এই তালিকায় তিন নম্বরে। ৭০ টেস্টের ১৩৪ ইনিংসে ৩৮.৮৯ গড়ে তার রান ৫১৩৪। এ ছাড়া চার হাজারি ক্লাবে সাকিব আল হাসান এবং তিন হাজারি ক্লাবে হাবিবুল বাশার ও লিটন দাস রয়েছেন।