সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়
বিরোধীদলের পাশাপাশি সরকারকেও দায়িত্বশীল হতে হবে : ডা: শফিক
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
জামায়াতে ইসলামির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদকে কার্যকর রাখতে হলে বিরোধীদলের পাশাপাশি সরকারকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সংসদকে কার্যকর রাখতে চাই। কার্যকর ও দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাই। সরকারকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু বিরোধী দল একা দায়িত্বশীল হয়ে পারে না। এ ব্যাপারে সরকারি দলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কাম্য। এ সময় গণতন্ত্র উত্তরণে দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে ভূমিকা রাখতে সম্পাদকদের সহযোগিতা চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা।
গতকাল রাজধানীর ২৯ মিন্টোরোডে বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় অংশ নেন দৈনিক যায়যায়দিন সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) আহ্বায়ক শফিক রেহমান, আমার দেশ সম্পাদক ও এনইসি যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান, নয়া দিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, মানবকণ্ঠ সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, দৈনিক এদিন সম্পাদক মো: সাইদুল ইসলাম সাজু, খবরের কাগজ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, ভোরের ডাক সম্পাদক কে, এম, বেলায়েত হোসেন, আজকের পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হাসান, দেশ রূপান্তরের নির্বাহী সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, বাণিজ্য প্রতিদিন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, জনতা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীন, আগামীর সময় সম্পাদক মোস্তফা মামুন, খোলা কাগজ সম্পাদক আহসান হাবীব, নিউ নেশন সম্পাদক মো: মোকাররম হোসেন, গ্রিন ওয়াচ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, ইভিনিং নিউজ সম্পাদক এ বি এম সেলিম আহমেদ, ডেইলি সান উপসম্পাদক আল আমিন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, সংগ্রামের বার্তা সম্পাদক শামসুল আরেফীন, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া প্রমুখ।
মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, মতবিনিময় সভায় জামায়াত আমির দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দল যে ভূমিকা পালন করছে তা তুলে ধরেছেন। জাতীয় সমস্যা, জনদুর্ভোগ, বিশেষ করে জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন নিয়ে যে সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে, তার সমাধানে জামায়াতের ভূমিকা তুলে ধরেন। সংসদে ও সংসদের বাইরে জামায়াত প্রধান বিরোধী দল হিসেবে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, অতীতে প্রচলিত ও প্রথাগত বিরোধীদলের যে খারাপ অনুশীলন ছিল; সেই প্রথা ভেঙে দিয়ে দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা এবং সকল অন্যায় ও গণবিরোধী কাজের প্রতিরোধ করতে জামায়াত যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সম্পাদকদের সামনে তুলে ধরেন জামায়াত আমির। জামায়াতের এই পলিসির প্রশংসা করেছেন সম্পাদকমণ্ডলী।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতের বিরোধিতা হবে নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক। বৈঠকে দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি, ভূরাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। এ মতবিনিময় সভায় জামায়াতের পলিসি বা নীতি তুলে ধরা হয়েছে। রাজপথে বিরোধীদল আন্দোলন করলেও দেশ যেন অস্থিতিশীল না হয় সেই পরামর্শ দিয়েছেন সম্পাদকরা।
সরকারের ছয়মাস অতিবাহিত হওয়ার পর এটি সম্পাদকদের সাথে প্রথম মতবিনিময়। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের এমপিদের সাথে বৈষম্য করছে। তারা উন্নয়নমূলক কাজে, বরাদ্দে এমনকি সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে, আইন প্রণয়ন করার ক্ষেত্রে, নানা নোটিশ গ্রহণের ক্ষেত্রে বৈষম্য করছে।
জামায়াত বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সঙ্কট, গণভোটের গণরায় কার্যকর করার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার ও প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু তারপরও স্পিকারের পক্ষ থেকে আমরা ইনসাফপূর্ণ আচরণ পাইনি। বরং বৈষম্যের শিকার হয়েছি। এগুলো জামায়াত আমির তুলে ধরেছেন।
সম্পাদকদের লেখনির মাধ্যমে সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেছেন, গণতন্ত্রের উত্তরণে আপনারা দায়িত্বশীলতার সাথে সহযোগিতা করবেন। সংসদের অতীতের বিরোধীদলগুলোর তুলনায় জামায়াত ব্যতিক্রম বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন সম্পাদকরা। জামায়াত সংসদকে গঠনমূলক পন্থায় কার্যকর রাখতে চায়। এজন্য সরকারকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু বিরোধীদল এটি করতে পারবে না।
মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলনা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি), মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, আব্দুর রব, ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মাদ জাহিদুর রহমান ও দেলাওয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি ও আতাউর রহমান সরকার প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় সম্পাদকদের চাওয়া : মতবিনিময় শেষে গণমাধ্যমের কাছে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, অতীতে দেখা গেছে কোনো দল ক্ষমতায় যাওয়ার পর আস্তে আস্তে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে সরকার। যদিও আমরা আশা করছি বর্তমান সরকার তেমন হবে না। তবে যদি কোনো গণমাধ্যমের ওপর সরকারি কোনো অন্যায় পদক্ষেপ নেয়া হয়, তবে সেটি সেই গণমাধ্যম বিরোধী দলকে সমর্থন করে কি করে না-তা বিবেচনা না করেই যেন বিরোধী দল তার প্রতিবাদ করে। বিরোধী দলের নেতা এ কাজে পাশে থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা মিডিয়াকে ‘ফোর্থ স্টেট’ বা ‘ফোর্থ ডাইমেনশন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং জামায়াতে ইসলামীর কোনো ভুল হলে তা ধরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি পরামর্শ দিতে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা মিডিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন এবং তিনি বলেছেন যে তারা নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি করছেন এবং তারা সরকারকে সহযোগিতা করতে চান। তো সেই সাথে তারা কিছু কিছু ব্যাপারে তাদের মনোকষ্টের কথা জানিয়েছেন। যেমন তারা বলেছেন যে তারা জ্বালানি নিয়ে তারা একটা বিশেষ অধিবেশন করতে চেয়েছিলেন। সরকার থেকে এখন পর্যন্ত সেটার সাড়া দেয়নি। তারপরেও তারা এই গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে চান এবং পার্লামেন্টকেই সকল কর্মকাণ্ডের মূল জায়গাটা করতে চান।
তিনি বলেন, সম্পাদকদের মধ্য থেকে আমরা বলেছি যে, জুলাই বিপ্লবের পরে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে। মিডিয়ার স্বাধীনতা ফিরে এসেছে এবং আমরা বলেছি যে আমাদের কোনো পক্ষপাতিত্ব থাকবে না। আমরা আমাদের মিডিয়ার যে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার দায়িত্ব সেটা প্রফেশনালি আমরা পালন করব। “আরেকটা বিষয়ে আমার তরফ থেকে একটা পরামর্শ ছিল আমি শ্যাডো ক্যাবিনেট তৈরি করার কথা বলেছিলাম। আমি বলেছি ওনাদেরকে যে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের একটা অভ্যাস বা চরিত্র আছে যে তারা সকল বিষয়ে কথা বলেন। তো বিরোধী দলের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা হলো যে সকল বিষয়ে কথা না বলে যদি শ্যাডো কবিনেটটা করা যায় তাহলে যেমন জনগণের জন্য ভালো হয়, তেমনি সরকারও সবসময় একটা চাপের মধ্যে থাকে। আর বিরোধী দলের জন্য এক ধরনের ট্রেনিং হয়ে যায়। কারণ আমরা জানি যে বিরোধী দল মানে কী? আগামী নির্বাচনে যদি জনগণ তাদের ভোট দেয় তারা সরকারে যেতে পারে। বিরোধীদল নেতা অবশ্য জানিয়েছেন যে একটা শ্যাডো ক্যাবিনেট তারা ইতোমধ্যে করে ফেলেছেন। কিন্তু আমাদেরকে জানান নাই। সেই শ্যাডো ক্যাবিনেটের নাকি প্রশিক্ষণ চলছে এবং অল্পদিনের মধ্যেই তিনি আমাদেরকে জানাবেন যে পুরোপুরি শ্যাডো ক্যাবিনেট তৈরি করবেন।
সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে জামায়াতের দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টিও উঠে এসেছে। এ ব্যাপারে আমারদেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, সভায় মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ভারতের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান জানতে চেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি (বিরোধী দলীয় নেতা) বলেছেন যে, “প্রতিবেশী তো প্রতিবেশী। কাজেই একটা প্রতিবেশীর সাথে আরেক প্রতিবেশীর যেমন সম্পর্ক থাকে তারা ওই সম্পর্কই চান। তার থেকে বেশিও না যে বাংলাদেশের সবকিছু উজাড় করে দিতে হবে। আবার তার সাথে সেই প্রতিবেশীর যেন কোনো শত্রুতা না থাকে।”
দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মারুফ কামাল খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি দল বিরোধী দল মিলেই তো সরকার। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমাদের আমন্ত্রণ করেছিলেন। আমরা এসেছিলাম। তারা মিডিয়া সম্পর্কে খুবই সুন্দর কথা বলেছেন। মিডিয়ার ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। আমরা আমাদের পরামর্শ দিয়েছি। তিনি বলেন, আমি একটা বিষয়ে তাদেরকে অনুরোধ করেছি যে, এ দেশে আমরা একটা ফ্যাসিবাদী পর্যায় অতিক্রম করে এসেছি। আরেকটা পর্যায় আমরা অতিক্রম করে এসেছি, নির্বাচিত সরকারের আমলে বিরোধী দলের নামে নৈরাজ্য হয়েছে আন্দোলনের নামে। গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে পার্লামেন্টের ভেতরে থাকতে হবে। সরকারকে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তনের ধারার মধ্যে থাকতে হবে এবং যাতে ফ্যাসিবাদ এবং বিরোধীদলীয় নৈরাজ্য কোনোটাই ফিরে না আসে এই আহ্বান আমরা জানিয়েছি।
দৈনিক ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, মতবিনিময় সভায় জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা প্রথমে একটু স্পিচ দিয়েছেন। সম্পাদকদের পক্ষ থেকে অনেকে কথা বলেছেন। এটা একটা প্রাণবন্ত ডিসকাশন হয়েছে এবং সবাই প্রাণ খুলে কথা বলেছেন যে, বিরোধী দল কী করছে এবং তাদের কী করা উচিত মানে কনস্ট্রাক্টিভ কিছু ক্রিটিসিজম ও অ্যাডভাইস পুরোটাই ছিল। জামায়াত আমির এই সরকারের প্রথম ছয় মাসে তাদের পারফরম্যান্স, সরকারের পারফরম্যান্স, মিডিয়া ফ্রিডমের কথা বলেছেন। বাংলাদেশে এখনো সেই সত্যিকার অর্থে মিডিয়া ফ্রিডম আসেনি, জুডিশিয়াল ফ্রিডমেও কিছু ব্যর্থ হয়েছে সেগুলোর কথা বলেছেন। আর তিনি তার দলের পারফরম্যান্সের ওপরে হাইলাইট করেছেন।
তিনি আরো বলেন সম্পাদকদের তরফ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, আমরা এর আগে দেখেছি সরকার ফেল করেছে। আওয়ামী লীগ একটা মনস্টার হয়ে গিয়েছিল। একটা ফ্যাসিস্ট, অটোক্রেটিক সরকার তারা এসটাবলিশ করে বিরোধী দলের কোনো স্পেসই রাখেনি, রাজনীতিই করতে দেয়নি। তেমনি আগে বিরোধী দলও যে খুব দায়িত্বশীল আচরণ করেছে তা-না। বিশেষ করে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের পার্লামেন্টকে দাঁড়াতেই দেয়নি। তারা কথায় কথায় ওয়াকআউট করেছে। কথায় কথায় হরতাল ডেকেছে। ফলে বাংলাদেশে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের যে আচরণ করার কথা সেটা তেমন একটা হয়নি। সবাই এবিষয়ে বলেছেন যে, পার্লামেন্ট যাতে সেন্টার অফ অল অক্টিভিটিস হয়। পার্লামেন্ট যাতে ট্রুলি বাংলাদেশের সমস্ত মানুষকে রিপ্রেজেন্ট করে। সেটার দিকে প্রত্যেক সম্পাদক একই সুরে কথা বলেছেন।