প্রথম নাটকের গানেও বাজিমাত সজীব শানের
Printed Edition
বিনোদন প্রতিবেদক
এর আগে বহু মৌলিক গান দিয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন শ্রোতা দর্শক আর ভিউয়ার্সদের মুগ্ধ করেছেন এই প্রজন্মের আলোচিত সঙ্গীতশিল্পী সজীব শান। এবার তিনি তার প্রথম নাটকের গান দিয়েই সবার মধ্যে মুগ্ধতা ছড়ালেন। ২১ আগস্ট সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘মন বাড়ি’ গান দিয়েই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন তিনি। ইমরাউল রাফাত পরিচালিত ‘মনের মতো মন’ নাটকের একটি গান এটি। এই গানের দৃশ্যায়নের আছেন এই নাটকেরই প্রধান দুই শিল্পী ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহা। সজীব শান গেয়েছেন যেমন চমৎকার। গানের দৃশ্যায়নে ইয়াশ ও নীহার পারফরম্যান্সও ছিল এক কথায় দুর্দান্ত। যে কারণে সবমিলিয়ে গানটি শ্রোতা দর্শকের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে। গানটি লিখেছেন ও সুর সঙ্গীতায়োজন করেছেন রোহান রাজ। সজীব শান বলেন, ‘এর আগে আমার কণ্ঠে ২০০ মৌলিক গান প্রকাশিত হয়েছে। সেসব গানের মধ্যে বহু গান আছে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ হয়েছে। কিন্তু মন বাড়ি-আমার প্রথম নাটকের গান। গানটি প্রকাশের পর থেকে যেভাবে সাড়া পাচ্ছি আমি, তাতে সত্যিই ভীষণ আবেগাপ্লুত এবং উচ্ছ্বসিত। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই রোহান রাজ ভাইকে আমাকে এই গান গাইবার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। ধন্যবাদ পরিচালক ইমরাউল রাফাত ভাই, ইয়াশ রোহান ভাই ও নাজনীন নীহাকে। সবার সমন্বয়ে একটি সুন্দর নাটক যেমন হলো, সিচুয়েশন অনুযায়ী একটি চমৎকার গানও হলো। যে গান আমাকে নতুন এক দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে। আমি আরো অনেক বেশি আশাবাদী হয়ে উঠছি।’ সজীব শানের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওরের বীর সিংজুরী। তার বাবা আব্দুস সালাম, মা লাইলী বেগম। সজীব শানের সাথে দ্বৈত গান গেয়েছেন সালমা, তসিবা, সাদিয়া মৌরী, সানজিদা রিমা। তার প্রকাশিত গানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিউ হওয়া অন্যতম গানগুলো হচ্ছে- ‘মন মিললে মেলা’-১৬ মিলিয়ন, ‘মনের কথা কইয়ো গোপনে’-১২ মিলিন, ‘সুখ গুলা মোর লইয়া গেলি’-১১ মিলিয়ন, ‘সোনা দানা টাকা কড়ি’-১৩ মিলিয়ন, ‘আপন আমি ছিলাম না তোর’-১২ মিলিয়ন, ‘তোরে মনের সুতায় বাইন্ধা রাখি’-৯.৩ মিলিয়ন, ‘একলা রাইখা চইলা গেলা’-৫ মিলিয়ন ইত্যাদি। অর্থাৎ মিলিয়ন গানের সংখ্যা ৪০টিরও বেশি। মানিকগঞ্জের ওস্তাদ ইমরান সাফির মাধ্যমে গানের জগতে আসা সজীব শানের। ২০১৫ সালে সিংজুরী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, এম রাশেদ খান টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইসএসসি এবং পরবর্তী সময়ে পারিবারিক দারিদ্র্যের চাপে অনার্স চলাকালীন পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। আর পড়াশুনা করতে পারেননি সজীব শান।