মতবিনিময় সভা

ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমাকৃত ৬১ কোটি টাকা পরিশোধ করার দাবি হাব নেতাদের

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমাকৃত হজ এজেন্সিগুলোর পাওনা ৬১ কোটি টাকা অবিলম্বে পরিশোধ করার দাবি জানিয়েছেন এজেন্সি মালিকরা। বৈধ হজ এজেন্সিগুলোর সৌদি অংশের খরচের অর্থ থেকে উদ্বৃত্ত ৫৩ কোটি টাকা এবং আরো ১৮ কোটি টাকা দীর্ঘ দিন ধরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে আটকে রেখে এজেন্সিগুলোর সাথে বিমাতাসূলভ আচরণ করা হচ্ছে বলেও এ সময় অভিযোগ করা হয়।

গতকাল রাজধানীর রমনাস্থ পুলিশ কনভেনশন হলে হাব আয়োজিত ‘হজ ব্যবস্থাপনা-২০২৬-এর চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: কামাল উদ্দিন এসব অভিযোগ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে খতিয়ে দেখার পর এজেন্সিগুলো টাকা পাওনা হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে।

এজেন্সি মালিকরা অভিযোগ করেন, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে আট শতাধিক বৈধ হজ এজেন্সির অনুকূলে হজযাত্রীর কোটা সমবণ্টন করে দিতে হবে। স্বল্পসংখ্যক হাসপাতালে হজযাত্রীদের টিকা প্রদানের বুথ খোলায় টিকা গ্রহণে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক হজযাত্রী সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত টিকা দিতে না পারায় চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে। অবিলম্বে সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে চাহিদানুযায়ী হজযাত্রীদের টিকা দেয়ার বুথ চালু করতে হবে।

হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারের সভাপতিত্বে এবং হাব মহাসচিব ফরিদ আহমদ মজুমদারের সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন, হাবের সাবেক সভাপতি মো: ইব্রাহিম বাহার, হাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ জামাল উদ্দিন আহমেদ, হাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সরদার, বায়রার সাবেক শীর্ষ নেতা এ কে এম মোবারক উল্লাহ শিমুল ও মো: নাজিম উদ্দিন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আয়াতুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব ড. মঞ্জুরুল হক, যুগ্ম সচিব ও ধর্ম উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ। অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও মুনাজাত পরিচালনা করেন যথাক্রমে মুফতি জুনায়েদ গুলজার ও মুফতি জাহিদ আলম।