প্রবীণদের সুরক্ষায় আইনের পাশাপাশি সচেতনতা জরুরি : আইনমন্ত্রী

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবীণদের সুরক্ষা, মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে প্রচলিত আইন ও নীতিমালার প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোয় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান। গতকাল আন্তর্জাতিক প্রবীণ নির্যাতন প্রতিরোধ সচেতনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুরস্থ ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে এক কনসালটেশন সভায় তিনি এই আহ্বান জানান। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এই সভার আয়োজন করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রবীণরা বয়সজনিত শারীরিক ও মানসিক কারণে অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের থেকেও বেশি অসহায় হয়ে পড়েন। তাই তাদের সামগ্রিক কল্যাণে এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও সমানভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রবীণদের প্রতি অবহেলা, সহিংসতা ও নির্যাতনের অনেক ঘটনাই কেবল কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এককভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় বরং এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি দূর করতে পারিবারিক পর্যায় থেকে সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ অপরিহার্য।

বর্তমান সরকারের প্রবীণবান্ধব নীতি ও বিভিন্ন কল্যাণমুখী উদ্যোগের বিবরণ দিয়ে মন্ত্রী জানান, তাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করতে চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য রেল ভ্রমণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়েছে এবং মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের আইনি সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ৯০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের মাসিক ভাতা বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রবীণদের কল্যাণে রাষ্ট্রের এই ধরনের কল্যাণমুখী নীতি ও সামাজিক সুরক্ষার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।