মে মাসেই কি সেরা হন মুশফিক

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের অন্যতম ভরসার নাম মুশফিকুর রহীম। বয়স ৩৯ ছুঁলেও রান করার ক্ষুধা যে একটুও কমেনি, পাকিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক টেস্ট সিরিজে সেটিই আবারো প্রমাণ করেছেন তিনি। সেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মে মাসের আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক। এবার তিনি সতীর্থ তাইজুল ইসলাম এবং নেপালের অলরাউন্ডার দীপেন্দ্র সিংকে পেছনে ফেলে এই স্বীকৃতি পেলেন।

আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটিও মুশফিকের জন্য নতুন নয়। এর আগে ২০২১ সালে এই মে মাসেই প্রথমবার এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তিনি। পাঁচ বছর পর আবারও মে মাসেই একই সম্মান অর্জন করলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। এর মাধ্যমে তিনি সাকিব আল হাসানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে একাধিকবার আইসিসির মাসসেরা হওয়ার কীর্তি গড়লেন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে বেশ ধারাবাহিক ছিলেন মুশফিক। ৬৩.২৫ গড়ে করেন ২৩৫ রান। ঢাকায় প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে খেলেন ৭১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস, আর সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ম্যাচজয়ী ১৩৭ রান। তাঁর দারুণ ব্যাটিংয়ে দুই টেস্টেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। সিরিজসেরা নির্বাচিত হওয়ার পর এবার যোগ হলো আইসিসির মাসসেরার স্বীকৃতিও।

মাসসেরা হওয়ার পর মুশফিক বলেন, ‘আবারো আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হওয়া আমার জন্য বড় সম্মানের। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের জন্য এই স্বীকৃতিতে আরো বেশি আনন্দিত। পাকিস্তানের বিপক্ষে স্মরণীয় সিরিজ জয়ে আমার সতীর্থ তাইজুলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই জয় আমরা দীর্ঘদিন মনে রাখব।’

ভালো ব্যাটিংয়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুশফিক বলেন, ‘এই জয়ের ফলে আমরা আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায়ও এগিয়েছি, যা দলের জন্য এই অর্জনকে আরো তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। আমি আমার সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের প্রতি কৃতজ্ঞ তাদের সমর্থনের জন্য। সামনের মাসগুলোতেও বাংলাদেশের সাফল্যে অবদান রাখার চেষ্টা করব।’