প্রিভিউ কর্নার

গ্রুপ সেরার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড-কানাডা

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচগুলোর একটি হতে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড ও কানাডার মধ্যকার লড়াই। ভাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচটি শুধু গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণই করবে না, বরং দুই দলের নকআউট পর্বে যাওয়ার পথও আরো সুগম করে দিতে পারে। বর্তমানে দুই দলই রয়েছে চার পয়েন্ট করে। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে কানাডা।

কানাডা এবারের বিশ্বকাপে স্বাগতিক দেশের মর্যাদা নিয়ে খেলছে। এখন পর্যন্ত তাদের পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত। প্রথম ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ড্র করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে জেসি মার্শের দল। সেই জয়ে আক্রমণভাগের গতি, প্রেসিং এবং দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে জনাথন ডেভিডের নেতৃত্বে কানাডার ফরোয়ার্ড লাইন প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি।

তবে কানাডার জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম ইসমায়েল কোনে। কাতারের বিপক্ষে ম্যাচে গুরুতর চোট পেয়ে এই মিডফিল্ডার ছিটকে গেছেন। কোচ জেসি মার্শ নিজেও স্বীকার করেছেন, কোনের অনুপস্থিতি দলের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্য দিকে অধিনায়ক আলফন্সো ডেভিস এখনো পুরোপুরি ফিট নন।

অন্য দিকে বরাবরের মতোই বিশ্বকাপে নিজেদের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে সুইজারল্যান্ড। কাতারের সাথে ১-১ ড্র করার পর বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে তারা নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে। মুরাত ইয়াকিনের দল সাধারণত সংগঠিত রক্ষণ, নিয়ন্ত্রিত মিডফিল্ড ও কার্যকর আক্রমণের ওপর নির্ভর করে। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার গ্রানিত জাকা এখনো দলের প্রাণভোমরা, যিনি খেলার গতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিশ্বকাপের মঞ্চে সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতা কানাডার তুলনায় অনেক বেশি। তারা টানা কয়েকটি বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে উঠেছে এবং বড় টুর্নামেন্টে চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট দক্ষ। যদিও তাদের খেলার ধরন খুব বেশি চমকপ্রদ নয়, কিন্তু কৌশলগত শৃঙ্খলা এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তাদের অন্যতম বড় শক্তি।