চট্টগ্রাম চেম্বারে মতবিনিময়ে পল ফ্রস্ট

বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার ও বিডার সাথে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

Printed Edition
back-3
চিটাগাং চেম্বার নেতৃবৃন্দের সাথে ইউএসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলের মতবিনিময় অনুষ্ঠান : নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্টের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গতকাল চট্টগ্রাম চেম্বার নেতাদের সাথে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে মতবিনিময় করেছেন। এ সময় চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, ডেপুটি পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর ডেভিড মু, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি এম এ ছালাম, সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, চেম্বার পরিচালক মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, সাবেক পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব ও রাহবার এ আনোয়ার, ইতালির অনারারি কনসাল মির্জা সালমান ইস্পাহানী, বিএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলী হুসেইন, দূতাবাসের কমার্শিয়াল স্পেশালিস্ট আবির বড়–য়া, এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট তানভীর আহমেদ, পিডব্লিউসির অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর (ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন) শাদাব মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।

পল ফ্রস্ট বলেন, আজকের এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ প্রমোট করা। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন ও তাদের প্রত্যাশা জানতে চাওয়া। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা সম্পর্কে জানতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে পারে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকার ব্যবসা-বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার ও বিডার সাথে কাজ করছে। যেকোনো বিনিয়োগের জন্য নোজ অব ডুয়িং বিজনেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। বাংলাদেশের তৈরী পোশাকের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজারও যুক্তরাষ্ট্র। তাই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার উপযুক্ত সময় এখনই। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের করিডোর, এক্সপ্রেসওয়ে, এমআরটি, বন্দর উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এসব খাতে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়লে উভয় দেশের জন্য লাভজনক হবে।