৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের

Printed Edition

বিশেষ সংবাদদাতা

সরকারি পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন ফাউন্ডেশনগুলোকে ক্লাস্টারভিত্তিক কাজ করার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটির বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা জানিয়েছে কয়েকটি ফাউন্ডেশন।

শনিবার ২২টি ফাউন্ডেশনের সাথে সভা শেষে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি জানান, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ভাবনার আলোকে প্রণীত সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কাঠামোর লক্ষ্য অর্জনে পাঁচটি মূল বিষয়ে জোর দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো সমন্বিত ক্লাস্টার ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ পরিচালনা করা। ২২টি ফাউন্ডেশনের মধ্যে শুধু পিকেএসএফ একাই আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির নিশ্চয়তা দিয়েছে। পাশাপাশি অন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও নিজস্ব উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে, যার সম্মিলিত সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের পাশাপাশি সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসারে আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাঁচ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে ফাউন্ডেশনগুলো এরই মধ্যে দুই গিগাওয়াট উৎপাদনের দায়িত্ব নেয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া সংক্রামক ব্যাধির বদলে জীবনযাপনজনিত রোগ বাড়ায় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নার্স, টেকনিশিয়ান ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা উন্নয়নেও কাজ করবে এসব সংস্থা।

সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানোর অংশ হিসেবে সরকার সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা সম্প্রসারণ এবং বিকল্প অর্থায়ন হিসেবে যাকাত ব্যবস্থা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এই বিশাল কর্মপরিকল্পনা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না তা নিয়মিত তদারক করবে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। সংস্থাটির ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অগ্রগতির সার্বিক হালনাগাদ তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।