এআই-সম্পর্কিত বৈশ্বিক চাহিদা বাড়ায় সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি জোরদার
Printed Edition
এএফপি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পর্কিত বৈশ্বিক চাহিদা বাড়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি এসেছে সিঙ্গাপুরে। এর ফলে গতকাল মঙ্গলবার ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে দেশটির সরকার। সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুরের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের পূর্বাভাসের ২ থেকে ৪ শতাংশের পরিবর্তে ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বছরের প্রথমার্ধে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিশ্বজুড়ে এআই-সংশ্লিষ্ট মূলধনী বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ায় বছরের বাকি সময়ের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও উন্নত হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল উৎপাদন, পাইকারি বাণিজ্য এবং অর্থ ও বিমা খাত। এআই-সম্পর্কিত পণ্যের শক্তিশালী চাহিদা উৎপাদন খাতের ইলেকট্রনিকস ও নির্ভুল প্রকৌশল শিল্পে এবং পাইকারি বাণিজ্য খাতের যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও সরবরাহসামগ্রী ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সিঙ্গাপুর সরকার আগে থেকেই বলে আসছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক চাহিদা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব থেকে নগররাষ্ট্রটির অর্থনীতিকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। এআই খাতে বিনিয়োগ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলেও, ইরান যুদ্ধের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রাথমিক আশঙ্কার তুলনায় কম পড়েছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুর।