হারারেতে সিরিজের একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে হেরেছে সফরকারী বাংলাদেশ।

দীর্ঘ ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরে যাওয়া ম্যাচের একাদশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, এমন ধারণাকে নাকচ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।

তিনি জানান, বেশ কয়েকজন নিয়মিত খেলোয়াড় অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও দলের পরিকল্পনায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

ম্যাচের দুই ইনিংসে ২০০ রানের গন্ডিও স্পর্শ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারের পেছনে এটিই ছিল অন্যতম প্রধান কারণ।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হওয়া ম্যাচে নিয়মিত খেলোয়াড়দের মধ্যে তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছিল। খেলেননি অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজও। এ ছাড়া ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি ব্যাটার লিটন দাসও। এ ম্যাচে টেস্ট অভিষেক হয় দুই ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় ও উইকেটরক্ষক অমিত হাসানের।

বাশার জানান, এমন পরিবর্তনগুলোকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হিসেবে দেখা উচিত নয়।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বাশার বলেন, ‘আমরা ওয়ানডেতে কোনো পরিবর্তন করিনি। টেস্টেও খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি। ব্যাটিং লাইনআপ আগের মতোই ছিল। নিয়মিত ব্যাটারদের মধ্যে লিটন ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি।’

পেসারদের বিশ্রাম দেয়ার বিষয়ে যুক্তি দেন প্রধান নির্বাচক। তিনি জানান, কাজের চাপ সামলানো জরুরি ছিল।

বাশার আরো বলেন, ‘তাসকিন ও নাহিদকে দিয়ে সব টেস্ট খেলানো সম্ভব নয়। যারা খেলেছে, তারা সবাই মূল স্কোয়াডেরই অংশ। এবাদত, নাঈম ও খালেদ টেস্ট স্কোয়াডের সদস্য এবং তারা নিয়মিতই টেস্ট খেলে থাকে। টেস্ট দলের জন্য খুব বেশি নতুন খেলোয়াড় নেয়া হয়নি।’