জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ সামনে রেখে দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বুলাওয়ের কুইন্স পার্কে আগামী ১৫, ১৭ ও ১৯ জুলাই গড়াবে সিরিজের তিন ম্যাচ।

টি-টোয়েন্টি দলে বড় চমক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও ইয়াসির আলীর। চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন তারা। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি সৈকত ও ইয়াসিরের।

হঠাৎ তাদের ফেরানোর প্রক্রিয়াটাও প্রশ্নবিদ্ধ। কেননা শেষ বিপিএলটা ভালো যায়নি ইয়াসিরের, অন্যদিকে মোসাদ্দেক তো খেলতেই পারেননি বিপিএলে। এ ছাড়া অন্য কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেও তেমন কিছু করেননি।

এসব প্রশ্নের উত্তরে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন একটা ব্যাখ্যা দাড় করানোর চেষ্টা করেছেন। জানান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আলো ছড়ানোয় সৈকতকে টি-টোয়েন্টিতে ডেকেছেন।

তার আগে অবশ্য শামীম পাটোয়ারীর দলে না থাকার কারণ নিয়ে আলোচনা করেন প্রধান নির্বাচক। বলেন, ‘শামীমের ফর্মটা নিয়ে একটু চিন্তিত আমরা। তবে এখনো বিশ্বাস করি, টি-টোয়েন্টিতে সে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।’

‘তবে এই মুহূর্তে খুব ভালো ফর্মে নাই। আর আমরা কিছু ক্রিকেটারকে তো দেখতে চাই। বিশ্বকাপের আগে দিয়ে তো দেখব না, এখনই দেখব, তাই না? এই জায়গায় সৈকত খুব ভালো ফর্মে আছে।’

‘যদিও সে ওয়ানডে ফরম্যাটে ভালো করেছে। তবে ওর ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছে এখন পুরোপুরি ভিন্ন ঘরানার ব্যাটিং করছে। পাশাপাশি ওর বোলিংটাও ভালো অপশন। তাই একটু দেখতে চাই, ও এই ফরম্যাটে কেমন করে।’

এ সময় ইয়াসিরকে দলে নেয়ার ব্যাখ্যায় বড় শট মারতে পারার সামর্থ্যের কথা বলেন প্রধান নির্বাচক। ‘মূলত সে ওয়ান অব দ্য ফিউ ব্যাটসম্যান যে সহজে বাউন্ডারি ক্লিয়ার করতে পারে। বিগ হিটিং সামর্থ্যের কথা চিন্তা করেই ওকে দলে নিয়ে আসা হয়েছে।’

এই সময় মোহাম্মদ সাইফুদ্দীনকে ফেরানোর কারণ নিয়েও কথা বলেন হাবিবুল বাশার সুমন। বলেন তাকে ফেরানো হয়েছে একজন কার্যকর পেস বোলিং অলরাউন্ডারের খোঁজে। তাতে এক সিরিজ পর দলে ফিরলেন সাইফুদ্দীন।