নি ত্যো প ন্যা স
ঘটন-অঘটন সুন্দরবন
প্রিন্স আশরাফ
Printed Edition
একশ’ পঁচাত্তর.
কিন্তু চেহারার বর্ণনা দিতে পারে। চেহারা শুনে সেটা মান্দার মাঝিরই মনে হলো। যদিও এদিককার সব মাঝির চেহারায় এক জাতীয় কাঠিন্য আছে।
নাভিদ বলল, ‘গুণীন কোন দিকে যেতে বলল? মান্দার মাঝির নৌকা কোন দিকে গেছে?’
ইনতাজ আলী গলার বিরক্তি চেপে স্বাভাবিক কণ্ঠে বলল, ‘স্যার, গুনীন যেদির যাতি বলল তা আপনারে বললি আপনি কিছু চিনতি পারবেন না। নদীর নাম খালের নাম বললি কিছুই চিনতি পারবেন না। আপনারা খালি পেপার পত্রিকায় পড়ে আর টিভি দেখে, হিরণপয়েন্ট, কটকা, নীলকমল, বুড়ি গোয়ালিনী এসব নাম কটা জানিছেন। কিন্তু কতশত চর আর কতশত খাল যে আছে আপনারা কেউ জানতিও পারবেন না। আমরা জানি। আমাগির উপরে ভরসা করতি পারেন স্যার। এট্টু আধটু চুরিচামারি করলিও মানষির সাথে বেঈমানি করতি...’
‘ঠিক আছে, ঠিক আছে।’ নাভিদ বাধা দিয়ে বলল, ‘তোমাদের উপর ভরসা করেই অকুল সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছি। এখন তোমাদের উপরেই সব নির্ভর করছে।’
- (চলবে)