প্রতিবাদ সভায় সম্মিলিত নারী প্রয়াস
হাদির খুনিদের গ্রেফতার ও জুলাইযোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
হাদির খুনিদের গ্রেফতার ও জুলাইযোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে সম্মিলিত নারী প্রয়াস। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সভায় সংগঠনের সভানেত্রী শামীমা নাসরীন বলেন, জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও আধিপত্যবাদবিরোধী শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এ ঘটনায় যারা জড়িত ছিলেন তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং জুলাইযোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা জানি যারা রক্ত ঝরায় তারা সমাজ বদলায়। হাদিকে কেন মেরে ফেলা হলো? কেন তাকে গুলি করা হলো? হাদি জুলাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। হাদিরা মরে না। হাদিরা আদর্শ হয়ে উঠেছে। ড. ইউনূস আপনার সরকার কেন হাদিকে নিরাপত্তা দিতে পারল না? সিইসি কিভাবে হাদির খুনের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেন? তার ভাষ্য, হাদি ইনসাফের রাষ্ট্র চেয়েছিল। আমরা আজ এখানে হাদির খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমরা শহীদ হাদির স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এসেছি। তেজগাঁও কলেজে সাকিব নামের এক ছাত্রকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হত্যা করেছে। কী পরিবর্তন হলো রাজনীতির? আরো একজন জুলাইযোদ্ধা এনসিপি নেত্রী খুন হয়েছে। হয়তো তাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হবে। কিন্তু আমরা এই হত্যার বিচার চাই। কোনো জুলাইযোদ্ধা আত্মহত্যা করতে পারে না। আমরা এখানে কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা নিয়ে আসি নাই। আমরা এখানে কাঁদতে আসিনি, আমরা ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফেরদৌস আরা খানম বলেন, আমরা লক্ষ করেছি তারা ভয় সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। একজন জুলাইযোদ্ধার ওপর হামলা করে শহীদ করার মাধ্যমে আমরা দেখতে পেয়েছি জুলাইযোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই। পরিচিত জুলাইযোদ্ধাদের জীবনের হুমকি দেয়া হচ্ছে। হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সম্মুখ সারির যোদ্ধা। তিনি আমাদের শিখিয়েছিলেন কিভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তিনি ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করছিলেন। হাদির খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। আমরা জীবন দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না।
মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মাহসিনা মমতাজ মারিয়া, সাংবাদিক লাবিন রহমানসহ নারী প্রয়াসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।