ঢাকা-৬ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় বাধা ও নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-৬ নির্বাচনী এলাকায় ১১ দলীয় জোট সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় প্রতিপক্ষের বাধা এবং নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল ঘটনায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির প্রতিকার চেয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়া হয়েছে।
প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট মো: মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এই অভিযোগের সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার বিকেলে গেণ্ডারিয়া থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের হলুদ মসজিদের পশ্চিম পাশে একদল অজ্ঞাত ব্যক্তি দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় বাধা দেয়। এ সময় তারা প্রচারকাজে নিয়োজিত রিকশাচালককে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে হুমকি এবং ভবিষ্যতে প্রচারণা না করার শর্তে মুক্তি দেয়।
একই সময়ে ওই এলাকায় প্রচারণা চালাতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরাও চরম হেনস্তার শিকার হন। প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকরা তাদের ‘চোর’ সম্বোধন করে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল এবং এলাকায় আবার প্রচারণায় না আসার জন্য হুমকি দেয়।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ড. আবদুল মান্নান বলেন, এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমি প্রতিপক্ষকে বলব হামলা বা বাধা না দিয়ে আপনাদের নারী কর্মীদেরও মাঠে নামান। আমরা তাদের শ্রদ্ধা করি এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব। নির্বাচন কমিশন এখনো সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে না পারায় আমি ক্ষোভ প্রকাশ করছি।
তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক কামরুল আহসান বলেন, প্রতিদিন আমাদের প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে। এটি কেবল আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়, বরং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত। যারা প্রতিপক্ষের প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়; তারা যেনতেনভাবে ক্ষমতা দখল করতে চায়। জনগণ দেশে আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন হতে দেবে না।
রিটার্নিং অফিসারের কাছে দেয়া এই অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।