আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্ট শিাবৃত্তি পেলেন ১৫০ ঢাবি শিক্ষার্থী

Printed Edition
Nagar---2
ঢাবি নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্ট বৃত্তি প্রদান করছেন ভিসি ড. নিয়াজ আহমেদ খান : নয়া দিগন্ত

আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্টের অর্থায়নে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের (২০২৪-২০২৫ শিাবর্ষ) মেধাবী ও অসচ্ছল ১৫০ জন নিয়মিত শিার্থীকে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা করে এক বছরের জন্য শিাবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিার্থীদের মাঝে তিন মাসের এককালীন বৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্য অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্টের ট্রাস্টি মনোয়ারা বেগম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ এবং ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সাথে নিবিড় সম্পর্কের মধ্য দিয়েই এর ভিত্তি শক্তিশালী হয়। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের সন্তানদের উচ্চশিার সুযোগ নিশ্চিত করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মৌলিক দায়িত্ব। এ েেত্র করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ সংস্থাগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্টের এই শিাবৃত্তি কেবল আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিার্থীদের সার্বিক অর্জনের স্বীকৃতি এবং তাদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। অনেক শিার্থীর জন্য এ ধরনের প্রণোদনা শিাজীবন চালিয়ে নেয়ার েেত্র অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

সভাপতির বক্তব্যে কোষাধ্য অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় অংশের শিার্থী প্রান্তিক ও অসচ্ছল পরিবার থেকে আগত।

সীমিত আর্থিক সমতার কারণে অনেক েেত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পে প্রয়োজনীয় আর্থিক সুরা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না, যার ফলে কেউ কেউ পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ে বা কাক্সিক্ষত ফল অর্জনে ব্যর্থ হয়। এ প্রোপটে আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্টের মতো সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই শিাবৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; এটি শিার্থীদের শিা জীবন টিকিয়ে রাখার একটি কার্যকর মাধ্যম। এ উদ্যোগের জন্য তিনি আকিজ গ্রুপ ও আকিজ-মনোয়ারা ট্রাস্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতে বৃত্তির সংখ্যা আরো বাড়ানোর আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি।