১,৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু

Printed Edition

বাসস

দেশের এক হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে (স্কুল ও কলেজ) প্রথম পর্যায়ে এমপিওভুক্ত করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্যায়িত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তির বিষয়ে সম্মতি চেয়ে এরইমধ্যে অর্থ বিভাগে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

রোববার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী আবেদন আহ্বান করা হলে মোট তিন হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের এক হাজার ১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাস) ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠি, আঞ্চলিক সাম্য এবং গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম পর্যায়ে এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচনাযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চূড়ান্ত তালিকা করার আগে আবেদনের সাথে দাখিলকৃত তথ্যাদি ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ডাটাবেজের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সরেজমিনও তদন্ত করা হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এতে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই।

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনৈতিক যোগাযোগের চেষ্টা করলে বা এ-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (+৮৮০১৩৩৯-৭৭৪৫২৮) খুদে বার্তার মাধ্যমে জানাতে বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নীতিমালার আলোকে যোগ্য হওয়া, প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সামর্থ্যসাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।

এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য/সংবাদ প্রচার না করে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ এ কাজটি সম্পাদনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সহায়তা করার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।