যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অঙ্গীকার : ডুয়েট ভিসি

Printed Edition
3rd 3
যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অঙ্গীকার : ডুয়েট ভিসি

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরে সম্মানজনক আচরণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাকিল পারভেজ অডিটরিয়ামে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে ‘সম্মানজনক আচরণ ও নিরাপদ পরিবেশ : যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতা’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা জরুরি। যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সচেতনতা, প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধ অপরিহার্য। তিনি বলেন, নিরাপদ ও অন্তর্ভুুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অঙ্গীকার।

তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার উদ্ধৃতি দিয়ে সমাজে নারী ও পুরুষের সমান গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং নিরাপদ, সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একই সাথে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শপথবাক্য পাঠ করান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো: আরেফিন কাওসার বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, অভিযোগ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস এবং প্রমোটিং অল্টারনেটিভ রিসোর্সেস ফর অ্যাকটিভ সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক ফয়জুন্নেসা। ডুয়েট যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোছা: নাসরিন আখতারের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সদস্য-সচিব অধ্যাপক ড. খুরশিদা শারমিন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাকিয়ান ফখরুল এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লিউজা-উল-জান্নাহ। সেমিনারে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন এবং একটি নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।