সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তা
সীমান্তসহ সারা দেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশব্যাপী বিস্তৃত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘœ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই এই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে একটি সমন্বিত ও সুসংগঠিত মিডিয়া কাভারেজ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিকল্পনাটি দু’টি পর্যায়ে পরিচালিত হবে। প্রথম পর্যায় ২৫ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন-পূর্ব সময়কাল এবং দ্বিতীয় পর্যায় ১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনকালীন সময়কাল। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর ও ব্যাটালিয়নগুলোকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলাভিত্তিক সাংবাদিকদের সাথে সমন্বয়ের জন্য মিডিয়া গ্রুপ গঠন এবং নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকার জেলা, উপজেলা ও সংসদীয় আসনভিত্তিক ইউনিটগুলোর যোগাযোগ নম্বর প্রচার করা হচ্ছে। একই সাথে জনসচেতনতামূলক ফটোকার্ড, পোস্টার, লিফলেট ও ভিডিও কনটেন্ট প্রচার এবং মাঠপর্যায়ে বিজিবির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে স্থানীয় জনগণের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে জানা গেছে, দেশের চার হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকি বিবেচনায় সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলা ভেদে দুই থেকে চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের জন্য বিজিবি সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ নথি অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের জন্য বিশেষ ব্রিফিং, আইনানুগ দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা, আচরণবিধি, জঁষবং ড়ভ ঊহমধমবসবহঃ এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় জবভৎবংযবৎ ঞৎধরহরহম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংযত, পেশাদার ও আইনসম্মতভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবির র্যা পিড অ্যাকশন টিম (র্যা ট) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিইউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে বলে সূত্র জানায়, যারা প্রয়োজন হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, এই সমন্বিত নিরাপত্তা প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও মিডিয়া কাভারেজ পরিকল্পনার মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশব্যাপী বিস্তৃত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘœ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই এই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে একটি সমন্বিত ও সুসংগঠিত মিডিয়া কাভারেজ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিকল্পনাটি দু’টি পর্যায়ে পরিচালিত হবে। প্রথম পর্যায় ২৫ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন-পূর্ব সময়কাল এবং দ্বিতীয় পর্যায় ১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনকালীন সময়কাল। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর ও ব্যাটালিয়নগুলোকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলাভিত্তিক সাংবাদিকদের সাথে সমন্বয়ের জন্য মিডিয়া গ্রুপ গঠন এবং নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকার জেলা, উপজেলা ও সংসদীয় আসনভিত্তিক ইউনিটগুলোর যোগাযোগ নম্বর প্রচার করা হচ্ছে। একই সাথে জনসচেতনতামূলক ফটোকার্ড, পোস্টার, লিফলেট ও ভিডিও কনটেন্ট প্রচার এবং মাঠপর্যায়ে বিজিবির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে স্থানীয় জনগণের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে জানা গেছে, দেশের চার হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকি বিবেচনায় সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলা ভেদে দুই থেকে চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের জন্য বিজিবি সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ নথি অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের জন্য বিশেষ ব্রিফিং, আইনানুগ দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা, আচরণবিধি, জঁষবং ড়ভ ঊহমধমবসবহঃ এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় জবভৎবংযবৎ ঞৎধরহরহম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র, ব্যালট, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংযত, পেশাদার ও আইনসম্মতভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবির র্যা পিড অ্যাকশন টিম (র্যা ট) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিইউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে বলে সূত্র জানায়, যারা প্রয়োজন হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, এই সমন্বিত নিরাপত্তা প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও মিডিয়া কাভারেজ পরিকল্পনার মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।