আগডুম বাগডুম কবিতা গুলি
Printed Edition
শাল-পিয়ালের দেশে
গোলাম রব্বানী টুপুল
সবুজ গাছের ফাঁকদিয়ে
যায় রোদেরা ডাকদিয়ে
শিশির দোলে ঘাসের ডগায়
সুবাস শুঁকি নাক দিয়ে।
বাতাস মৃদুমন্দ বয়
মাঝির মনে নেইকো ভয়
রাতেরবেলায় জোনাই জ্বলে
চাঁদের বুকে ধরল ক্ষয়।
শাল-পিয়ালের বন ছেড়ে
ওই দেখোনা যায় কে রে
সজনেগাছে কুটুম নাচে
সন্ধে আকাশ লালপেড়ে।
কৈশোর এখন
মজনু মিয়া
কৈশোর এখন ধুলায় লুটায়
পথে ঘাটে পড়ে
নেশার ঘোরে আনাচ কানাচ
থাকে ওরা ধরে।
কৈশোর এখন হারিয়ে যায়
বাজে নেশায় পড়ে
বন্ধু বান্ধব একই রকম
ধরছে একই জ্বরে।
সহযোদ্ধার কবর
শওকত এয়াকুব
জুলাই হলো সাহস বুকে
হকের কথা বলা
জুলাই হলো রুখে দেয়া
সকল চলা কলা।
জুলাই হলো দীপ্ত স্লোগান
প্রতিবাদী স্বর
জুলাই হলো তাড়িয়ে দেয়া
ফ্যাসিবাদের চর।
পিঁপড়ার বর্ষা বিলাস
মুসাফির জিয়া
রিমঝিম রিমঝিম বৃষ্টি পড়ে
পিঁপড়ে সেনারা কাঁপছে ডরে
ভিজে গেল পথ, ভিজে গেল মাঠ
তাড়াতাড়ি তাই ভাঙলো যে হাট ।
দল বেঁধে চলে সারাদিন রাত
মুখে নিয়ে ছোটে খাবারের ভাত
গর্তের ঘরে জমায় খাবার
বর্ষায় বাইরে যাবে না কো আর।
(ব্রাইটন, ইংল্যান্ড থেকে)
হলুদ কালা ব্যাঙ
শেখ সালমান শাহী
বৃষ্টিতে ভিজে
হলুদ কালা ব্যাঙ
করছে লাফালাফি
দিয়ে লম্বা ঠ্যাং।
নাচ্ছে দলে দলে
ডাকছে ঘ্যাঙর ঘ্যাং
ধরে পড়ে জড়াজড়ি
হলুদ কালা ব্যাঙ।
ফড়িং
তোয়াবুর রহমান
কঞ্চের আগায় আঠা নিলাম ভড়িং
চল সবে চল মাঠের পানে তড়িং
ধরবো বলে গাছের ডালে চড়িং
টের পেয়ে তাই উড়াল দিলো ফড়িং
তার পিছনে আমরা দিলাম দড়িং
সরসরিয়ে বাতাস বেগে উড়িং
দৌড়ে গিয়ে ফড়িং আঠায় ভড়িং
অবশেষে ধরে ফেললাম ফড়িং।