ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন
ঢাকার ১০ আসনে ২১ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ১০টি আসনের ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন গতকাল মঙ্গলবার তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এদের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনে চারজন, ঢাকা-৬ আসনে একজন, ঢাকা-৭ আসনে একজন, ঢাকা-৯ আসনে দুইজন, ঢাকা-১০ আসনে দুইজন, ঢাকা-১২ আসনে একজন, ঢাকা-১৬ আসনে দুইজন, ঢাকা-১৭ আসনে একজন ও ঢাকা-১৮ আসনে পাঁচজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দুইজন। এ দিকে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আজ বুধবার প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন বিকেল পর্যন্ত ২১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আগামীকাল (আজ) সব প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হবে। আমরা সেই অনুযায়ী যথাযথ প্রস্তুতি নিচ্ছি। যদি কোনো আসনে একই প্রতীকে একাধিক প্রার্থী থাকে, সে ক্ষেত্রে সমঝোতা না হলে লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা-৮ আসনে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী গণভোট নিয়ে প্রচারণা দিয়েছিলেন। পরে আমরা সেই বিষয়ে তাকে জানিয়েছি। এতে করে সব প্রচারণা সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। বিকেলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক আছে।
লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ঢাকা-১৮ আসনের এমপি প্রার্থী এডভোকেট মফিদুল ইসলাম নিলু বলেন, এলডিপির পক্ষ থেকে ছাতা প্রতীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন বৈধ প্রার্থী হিসেবে আমার মনোনয়নপত্র রিটার্নিং অফিসার গ্রহণ করেছে। এখন আমার পার্টির প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১০ দলীয় জোট ও এনসিপিকে সমর্থন করে আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। সামনে ১০ দলীয় জোটকে নির্বাচিত করার জন্য ঢাকা-১৮ আসনের সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা-৭ আসনের বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী মো: মনির হোসেন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। সব ধরনের যাচাই-বাছাইয়ে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিলাম। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলাম, যাতে করে আমাদের ধানের শীষের প্রার্থী সহজে জয়ী হতে পারেন।
ঢাকা-৭ আসনের এনসিপি প্রার্থী তারেক আহমেদ আদেল বলেন, আমাদের জোটের যে দলগুলো রয়েছে সেখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর জন্য আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি। আমি কোনো চাপে নয় বরং দলের নির্দেশে প্রত্যাহার করেছি।
প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- ঢাকা-৫ আসনের বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো: লুৎফুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির এস এম শাহরিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো: আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী। ঢাকা-৬ আসনের আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) গাজী নাসির। ঢাকা-৭ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির তারেক আহম্মেদ আদেল ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী মো: মনির হোসেন। ঢাকা-৯ আসনের খেলাফত মজলিসের মো: ফয়েজ বখশ সরকার ও জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ। ঢাকা-১০ আসনের খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী।
ঢাকা-১০ আসনের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ আসনের বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের মো: রিফাত হোসেন মালিক, ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার এম সরওয়ার হোসেন ও খেলাফত মজলিসের মো: এমদাদুল হক ঢাকা-১৮ আসনের গণসংহতি আন্দোলনের বিলকিস নাসিমা রহমান, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি-এলডিপির মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন)।
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে প্রত্যাহার ১২ জনের
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার ১৬টি সংসদীয় আসনে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী রয়েছেন ১১১ জন। গতকাল মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ১১টি সংসদীয় আসনের ১২ জন প্রার্থী নিজেদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে নিয়েছেন।
কমিশন সূত্র জানায়, এসব সংসদীয় আসনে ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন ১১১ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-০১ মীরসরাই আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৭ জন, চট্টগ্রাম-০২ ফটিকছড়ি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৭ জন, চট্টগ্রাম-০৩ সন্দ্বীপ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৪ জন, চট্টগ্রাম-০৪ সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আংশিক আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৯ জন, চট্টগ্রাম-০৫ হাটহাজারী আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৬ জন, চট্টগ্রাম-০৬ রাউজান আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৪ জন, চট্টগ্রাম-০৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৮ জন, চট্টগ্রাম-০৮ বোয়ালখালী-চান্দগাঁও আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৬ জন, চট্টগ্রাম-০৯ কোতোয়ালি-বাকলিয়া আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ১০ জন, চট্টগ্রাম-১০ ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-খুলসী আসনে ১১ জন, চট্টগ্রাম-১১ বন্দর-পতেঙ্গা আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে ০৭ জন, চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা আসনে ০৬ জন, চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ আসনে ০৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে ০৩ জন এবং চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ০৭ জন।
নারায়ণগঞ্জে ৫ আসনে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৪৭ প্রার্থী
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানায়, নারায়ণগঞ্জে প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় পাঁচটি সংসদীয় আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জন। গত সন্ধ্যায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, বুধবার (২১জানুয়ারি) চূড়ান্ত এ ৪৭ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এর পর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় যেতে পারবেন। তবে, সে ক্ষেত্রে নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে হবে প্রার্থীদের।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন। এ দিন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আ: কাইয়ুম শিকদার, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে একই দলের প্রার্থী মো: আবুল কালাম দুলাল এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ইলিয়াস আহমেদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে সাতজন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ছয়জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ : রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে চূড়ান্ত প্রার্থী সাতজন। তারা হলেন : বিএনপির প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, স্বতন্ত্র মো: দুলাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: ইমদাদুল্লাহ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মনিরুজ্জামান চন্দন, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো: রেহান আফজাল। এ আসনে মো: দুলাল যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-২ : আড়াইহাজার উপজেলার এ আসনটিতে ছয়জন প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ, স্বতন্ত্র আতাউর রহমান আঙ্গুর, সিপিবির হাফিজুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর ইলিয়াস মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া ও ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো: হাবিবুল্লাহ। এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আঙ্গুর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ : সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ১১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বতন্ত্র মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিম, জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ্, জনতার দলের আবদুল করিম মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো: শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদের মো: ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী। এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন বিএনপির সংসদ সদস্য এবং রেজাউল করিম বিএনপির প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ : ফতুল্লার পাঁচ ও সদরের দু’টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি- ১৩ জন প্রাথী রয়েছেন। এ তারা হলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনির হোসাইন কাসেমী, স্বতন্ত্র মো: শাহ্ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ইসমাইল কাউসার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সেলিম মাহমুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো: সুলাইমান দেওয়ান, সিপিবির ইকবাল হোসেন ও গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা। গিয়াস উদ্দিন এ আসনটিতেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি ছাড়া মোহাম্মদ আলীও বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন।
অন্য দিকে, মো: শাহ আলম জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। শাহ আলম ও গিয়াস উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় দল তাদের বহিষ্কার করেছে।
আসনটিতে বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। অন্য দিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ইসলামিক ও সমমনা ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির আব্দুল্লাহ আল আমিন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৭টি ওয়ার্ড এবং বন্দর উপজেলা এলাকা নিয়ে গঠিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনটিতে চূড়ান্ত ১০ প্রার্থী হলেন- বিএনপির অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, স্বতন্ত্র মাকসুদ হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা, সিপিবির মন্টু চন্দ্র ঘোষ এবং গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ছিলেন।