তবুও জয়ের আশা পুলিশের

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশের ফুটবলে পুলিশ দলের উপস্থিতি বহু বছর আগ থেকে। তবে এই প্রথম তারা খেলতে যাচ্ছে কোনো আন্তর্জাতিক আসরে। বসুন্ধরা কিংস ও ঢাকা আবাহনী এবার লাইসেন্স করতে না পারায় রাস্তা খুলে গেছে ফর্টিস এফসি ও বাংলাদেশ পুলিশ দলের। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া এই দুই দল খেলছে এবারের এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্রিলিমিনারি রাউন্ডে। ফর্টিস হোমে খেলবে কিরগিজস্তানের মুরাস এফসির বিপক্ষে। আর পুলিশকে খেলতে হবে সিরিয়ার আল ইত্তিহাদ আহলি ক্লাবের বিপক্ষে। ভেন্যু জর্দানের রাজধানী আম্মানের কিং আবদুল্লাহ স্টেডিয়াম। একেতো শক্তিশালী দল আল ইত্তিহাদ। তার উপর খেলছে আরবের পরিবেশে। সেখানে পুলিশের জন্য এটি আওয়ে ম্যাচ। তাই সব মিলিয়ে সিরিয়ার ক্লাবকেই এগিয়ে রাখছেন পুলিশের কোচ আসিফুজ্জামান। অবশ্য এরপরও জয়ের মিশনেই ৮ আগস্ট জর্দান যাচ্ছে তারা। সেখানে ১১ আগস্ট ম্যাচ তাদের।

গত বছর বসুন্ধরা কিংস এই প্রিলিমিনারি রাউন্ডে ১-০তে হারিয়েছিল সিরিয়ার আল কারামাহকে। এবার পুলিশ কি পারবে সিরিয়ার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ক্লাবকে হারাতে। তারা ৬ বারের সিরিয়ান লিগ চ্যাম্পিয়ন। ১০ বার সিরিয়ান কাপ জয়ী। তা ছাড়া লিগের পর বাংলাদেশের ক্লাবগুলো যখন বিশ্রামে ছিল তখন সিরিয়ার ক্লাবগুলো ম্যাচ খেলেছে। এই এএফসির আসরের জন্য ১০ জুলাই অনুশীলন শুরু করেছে পুলিশ দল। একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে ফর্টিসের সাথে। আজ এই দলটির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ।

গত সিজনের এক বিদেশীকে রেখে দিয়েছে পুলিশ। বাকিরা নতুন। এদের মধ্যে সৌদি লিগে খেলা সেনেগালের স্ট্রাইকার রসুলবা আছেন। মালয়েশিয়ান লিগে খেলা ক্যামেরুনের আরেক স্ট্রাইকারকে নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া উগান্ডা জাতীয় দলে খেলা এবং মেসিডোনিয়া লিগে প্রতিনিধিত্ব করা মিডফিল্ডার শফিক তাগিমো আছেন। রহমতগঞ্জে খেলা ফরোয়ার্ড গাম্বিয়ান সলোমন কিংয়ের সাথে নতুন যোগ হয়েছেন মিডফিল্ডার ফাদো দার্বে। রয়েছে ব্রাজিলের ডিফেন্ডার। স্থানীয়দের মধ্যে পিডব্লিডি থেকে আকাশ, রহমতগঞ্জ থেকে আরাফাত, ইয়ংম্যান্স থেকে আরিয়ান, আরামবাগ থেকে রকি এবং বসুন্ধরা কিংস থেকে জাহিদ ও নয়নকে নেয়া হয়েছে।

কোচ আসিফের মতে, সিরিয়ার ফুটবল আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তারা অল্পের জন্য বিশ^কাপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। প্রস্তুতি ম্যাচে সিরিয়া ০-১ গোলে হেরেছিল মরক্কোর কাছে। এই দেশের ক্লাব টিমও শক্তিশালী। এরপরও আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। কারণ নির্দিষ্ট দিনে ৯০ মিনিটের ম্যাচে যে ভালো করবে তারাই জিতবে। তাই আমাদের জয়ের সম্ভাবনা কম থাকলেও ১১ তারিখে ভালো খেলেই গ্রুপ পর্বে উন্নীত হতে চাই।