হেলথ টিপস

ইফতারে দই-চিঁড়া

Printed Edition

দই-চিঁড়া থেকে আপনি পাবেন শর্করা। সারা দিন রোজা রাখার পর দেহে শক্তি জোগাতে এ শর্করা প্রয়োজন। এ ছাড়া দই থেকে আপনি পাবেন খানিকটা আমিষসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।

ক্যালরি কম, শক্তি বেশি

দই-চিঁড়া খেলে আপনি শক্তি পাবেন ঝটপট। তবে দারুণ ব্যাপার হলো, এতে ক্যালরির মাত্রা খুব বেশি নয়। আবার চিঁড়া খেলে যেহেতু সহজে ক্ষুধা পায় না, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সহজ হয়। রোজা রেখেও যাদের ওজন কমে না, তাদের জন্যও দই-চিঁড়া সেরা ইফতারি।

হজমে উপকারী

আমাদের অন্ত্রে কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই বহু ব্যাকটেরিয়া বাস করে। এসব আমাদের পেটের সুস্থতার জন্য আবশ্যক। দই হলো প্রোবায়োটিক, অর্থাৎ এতে আছে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। তার মানে দই খেলে আপনার পেট ভালো থাকবে। সহজভাবে বলা যায়, দই আপনার পেট ঠাণ্ডা রাখবে। দই-চিঁড়া সহজপাচ্য খাবার তো বটেই, অন্যান্য খাবার হজমে সহায়তা করে, বদহজমেও উপকারী। দুধের তৈরি খাবার বলে দই কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়ক।

য়পূরণে সহায়তা

রোজা রেখে সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় স্বাভাবিকভাবেই আমাদের দেহে যে য় হয়, তা পূরণ করতে প্রয়োজন আমিষ। প্রথম শ্রেণীর আমিষ, অর্থাৎ প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া আমিষ আমাদের দেহের য়পূরণের জন্য খুবই জরুরি। তাই সারা দিন রোজা রাখার পর ইফতারে দই-চিঁড়া খেলে দইয়ের আমিষ আপনার দেহের য়পূরণ করতে সহায়তা করবে।

দই-চিঁড়ার মতো একটি পুষ্টিকর খাবার খেলে ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমবে। এতে আপনি সুস্থ থাকবেন। তবে দই-চিঁড়ায় চিনি বা গুড় দেবেন না। চিঁড়া ভেজানোর সময় সামান্য লবণ দিলেই খেতে পানসে লাগবে না। ফলে তাতে চিনি বা গুড়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভবও করবেন না। এ ছাড়া দই-চিঁড়ার সাথে কলা বা অন্যান্য ফল যোগ করলে তা থেকে আপনি বাড়তি পুষ্টি পাবেন, স্বাদ বাড়বে। দই-চিঁড়া তৈরি করা খুবই সহজ। চুলা ধরানোর ঝামেলাই নেই। অফিসে ইফতার করতে হলেও অনায়াসে এর ব্যবস্থা করতে পারবেন। ইন্টারনেট।